নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় আপন দুলাভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে ১৩ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত ২৯ জুন (২০২৬) সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাট্টা (ভাটিপাড়া) এলাকায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার জন্য একটি মহল জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৯/০৬/২০২৬ ইং তারিখ বিকেল আনুমানিক ৬:৩০ ঘটিকায় কেন্দুয়া থানাধীন মোজাফফরপুর ইউনিয়নের গগডা গ্রামের মোঃ বাচ্চু মিয়ার মেয়ে ভিকটিম তানিয়া আক্তার (১৩) একই থানার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা মাইজপাড়া গ্রামে তার আপন দুলাভাই মোঃ রিপন মিয়ার বাড়িতে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে রওনা হয়।সন্ধ্যা আনুমানিক ৭:৩০ ঘটিকায় সোনিয়া বাট্টা (ভাটিপাড়া) নামক স্থানে পৌঁছালে, পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা স্থানীয় মৃত মন্নাফ হোসেনের ছেলে অভিযুক্ত মোঃ মতি মিয়া (৫৫) তাকে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে। পরবর্তীতে সকলের অগোচরে রাস্তার পাশে একটি পাটক্ষেতে নিয়ে গিয়ে কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।একটি ১৩ বছরের কিশোরী ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর যেখানে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়ার কথা, সেখানে উল্টো ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে লোকলজ্জার ভয় দেখিয়ে আপস-মীমাংসার জন্য দফায় দফায় সালিশ-বৈঠকের আলোচনা করে চলছেন। এতে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল এর মাঝে চরম ক্ষোভ ও ব্যাপক হতাশা বিরাজ করছে। এলাকার সচেতন মহল মনে করেন, ধর্ষণের মতো একটি জঘন্য ফৌজদারি অপরাধকে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার কোনো আইনি সুযোগ নেই। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্ত লম্পট মতি মিয়াকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে তারা । তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অর্থাৎ গতরাত পহেলা জুলাই বুধবার সব ভয় ভীতিও লোক লজ্জার কথা উপেক্ষা করে ভিকটিমের বাবা, বাচ্চু মিয়া নিজে বাদী হয়ে নিজ মেয়ের ধর্ষণকারী মতি মিয়া (৫৫)কে আসামি করে কেন্দুয়া থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। দায়ের কৃত এই মামলার ব্যাপারে সত্যতা স্বীকার করে কেন্দুয়া থানার ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, দায়ের কৃত মামলার বিপরীতে বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ার স্বার্থে ইতিমধ্যেই ভিকটিমকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে এবং খুব দ্রুত সময়ের ভিতরেই প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। সেই সাথে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী মতি মিয়াকে গ্রেফতার করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীর কঠোর শাস্তির জন্য পুলিশ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় আপন দুলাভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে ১৩ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত ২৯ জুন (২০২৬) সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাট্টা (ভাটিপাড়া) এলাকায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার জন্য একটি মহল জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৯/০৬/২০২৬ ইং তারিখ বিকেল আনুমানিক ৬:৩০ ঘটিকায় কেন্দুয়া থানাধীন মোজাফফরপুর ইউনিয়নের গগডা গ্রামের মোঃ বাচ্চু মিয়ার মেয়ে ভিকটিম তানিয়া আক্তার (১৩) একই থানার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা মাইজপাড়া গ্রামে তার আপন দুলাভাই মোঃ রিপন মিয়ার বাড়িতে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে রওনা হয়।সন্ধ্যা আনুমানিক ৭:৩০ ঘটিকায় সোনিয়া বাট্টা (ভাটিপাড়া) নামক স্থানে পৌঁছালে, পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা স্থানীয় মৃত মন্নাফ হোসেনের ছেলে অভিযুক্ত মোঃ মতি মিয়া (৫৫) তাকে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে। পরবর্তীতে সকলের অগোচরে রাস্তার পাশে একটি পাটক্ষেতে নিয়ে গিয়ে কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।একটি ১৩ বছরের কিশোরী ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর যেখানে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়ার কথা, সেখানে উল্টো ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে লোকলজ্জার ভয় দেখিয়ে আপস-মীমাংসার জন্য দফায় দফায় সালিশ-বৈঠকের আলোচনা করে চলছেন। এতে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল এর মাঝে চরম ক্ষোভ ও ব্যাপক হতাশা বিরাজ করছে। এলাকার সচেতন মহল মনে করেন, ধর্ষণের মতো একটি জঘন্য ফৌজদারি অপরাধকে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার কোনো আইনি সুযোগ নেই। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্ত লম্পট মতি মিয়াকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে তারা । তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অর্থাৎ গতরাত পহেলা জুলাই বুধবার সব ভয় ভীতিও লোক লজ্জার কথা উপেক্ষা করে ভিকটিমের বাবা, বাচ্চু মিয়া নিজে বাদী হয়ে নিজ মেয়ের ধর্ষণকারী মতি মিয়া (৫৫)কে আসামি করে কেন্দুয়া থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। দায়ের কৃত এই মামলার ব্যাপারে সত্যতা স্বীকার করে কেন্দুয়া থানার ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, দায়ের কৃত মামলার বিপরীতে বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ার স্বার্থে ইতিমধ্যেই ভিকটিমকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে এবং খুব দ্রুত সময়ের ভিতরেই প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। সেই সাথে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী মতি মিয়াকে গ্রেফতার করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীর কঠোর শাস্তির জন্য পুলিশ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন