জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় জমি দখলের চেষ্টা এবং নিজেদের সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। মাদারগঞ্জ পৌরসভার বানিকুঞ্জ এলাকার সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী হোসেন আলী এ অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী হোসেন আলী বলেন, আমি বলদভরা মৌজার খতিয়ান নং ২৫-১৮৭৫-এর ১৭৫, ১৭৬ ও ১৭৭ নং দাগে মোট ৪.৫৯ শতাংশ জমির ওয়ারিশসূত্রে অংশীদার ও মালিক। ওই জমির মালিক ছিলেন আমার ছোট ভাই মৃত আসাদুজ্জামান। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী তার স্ত্রী, আমার দুই বোন এবং আমি বৈধ ওয়ারিশ ও অংশীদার হই।
তিনি বলেন, আমার বোন জামিলা খাতুন ও মরিয়ম বেগম তাদের অংশ বিক্রি করে দেন সাইফুল ইসলাম, ফরিদুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামের কাছে। জমির দক্ষিণ পাশে অবস্থানকারী সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলামের চলাচলের রাস্তা না থাকায় বিষয়টি পারিবারিক ও সামাজিক সালিশের মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়— সাইফুল গং উত্তর-পূর্ব পাশে, এরপর আমার জায়গা, এরপর মৃত ভাইয়ের স্ত্রী জান্নাত আরা নাঈমের জায়গা নির্ধারণ করা হয়। এরপর ছয় ফুট রাস্তা এবং সর্বশেষ উত্তর-পশ্চিমে কবরস্থান থাকবে। ছয় ফুট রাস্তার জমির জন্য বিনিময়ও নির্ধারণ করা হয়। সালিশে উপস্থিত সকলের সামনে জমি পরিমাপক আমিন সীমানা নির্ধারণপূর্বক খুঁটি স্থাপন করে আমাকে আমার জমি বুঝিয়ে দেন।
হোসেন আলী আরও বলেন, সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম ছয় ফুট রাস্তা এবং জান্নাত আরা নাঈমের অংশ, আমার ১৭৭ নং দাগে থাকা কবরস্থানের পেছনের ০.৭৫ শতাংশ ও সাইফুল গংয়ের ০.৭৫ শতাংশ জমি নিজেদের দখলে নিয়ে প্রায় সাত ফুট উঁচু প্রাচীর নির্মাণ করেন। পরে সাইফুল গং ও সাজেদুল গংয়ের মধ্যে প্রাচীন সীমানা প্রাচীরকে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাইফুল গং পূর্বের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ছয় ফুট রাস্তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন এবং আমার সীমানার ভেতরে প্রবেশ করে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন। আমি মৌখিকভাবে বাধা দিলে তারা ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর আমাকে বিবাদী করে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে।
তিনি আরও বলেন,অভিযোগের বিষয়টি সামাজিক ও পারিবারিকভাবে নিষ্পত্তির জন্য থানা থেকে বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জরুল ইসলাম মুসাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি একাধিক বৈঠকের মাধ্যমে ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে পূর্বের সালিশের মাপ অনুযায়ী পুনরায় সীমানা নির্ধারণ ও খুঁটি স্থাপন করেন সবার ঐক্যমতের ভিত্তিতে।
হোসেন আলী বলেন, সম্প্রতি জানতে পারি আমার মৃত ভাইয়ের স্ত্রী জান্নাত আরা নাঈম তার অংশ সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলামের কাছে দানপত্রের মাধ্যমে হস্তান্তর করেছেন। যদিও শুরু থেকেই সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম ওই অংশ দখলে রেখেছেন।
মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে জানতে পারি আদালতে সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে জান্নাত আরা নাঈমকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মিথ্যাভাবে উল্লেখ করা হয় যে, বলদভরা মৌজার খতিয়ান নং ২৫-১৮৭৫-এর জমি মৃত আসাদুজ্জামান মৌখিক এওয়াজ বদলের মাধ্যমে হস্তান্তর করে গেছেন। একই সঙ্গে উক্ত মামলায় জমির চৌহদ্দি সংশোধনের আবেদন করে দাবি করা হয় যে, উক্ত খতিয়ানের ১৭৫, ১৭৬ ও ১৭৭ নং দাগের আশেপাশে বাদী সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো অংশীদার বা মালিক নেই।
ঘটনার পরিক্রমায় বিবাদী জান্নাত আরা নাঈমের নিকট মামলার প্রকৃত বিষয়বস্তু ও এর আইনি প্রভাব গোপন রেখে সমঝোতার কথা বলে কৌশলে সোলেনামায় স্বাক্ষর করিয়ে নেয় সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম। এ বিষয়ে হোসেন আলী দাবি করেন, জান্নাত আরা নাঈম তার কাছে নিজেকে প্রতারণার শিকার বলে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি তিনি প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সকল আইনগত সহায়তা ও সত্য উদঘাটনে সহযোগিতা করতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান।
প্রতারনার ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে গত ১৫ মে সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম জোরপূর্বক আমার প্রধান রাস্তা-সংলগ্ন ১৭৫ ও ১৭৬ নং দাগে থাকা ৩.৪৮ শতাংশ জমিতে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করেন এবং আমার যাতায়াতের লোহার গেট বন্ধ করে দেন। তারা এলাকায় প্রচার করছেন পুরো জায়গার মালিকানা তাদের, আমাকে ও সাইফুল গংকে কোনো জমি দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, আমি মোবাইল ফোনে তাদের কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ করলে তারা তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং কাজ চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন। তারা আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন, কুৎসা রটনা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক জমি বিক্রির জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। এক পর্যায়ে সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম নিজেদের সাত ফুট উঁচু দেয়াল নিজেরাই ভেঙে আমাকে ও সাইফুল গংকে ফাঁসানোর অভিযোগ দায়ের করেন।
হোসেন আলী আরও বলেন, সম্প্রতি আমার নামে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে সামাজিকভাবে সম্মানহানি এবং চলমান জমি বিরোধে প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যেই এমন সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আমি এবং আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অবৈধ দখল ও জবরদখল থেকে আমার জায়গা উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয়ে বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম মুসা বলেন, সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে যার যার প্রাপ্য জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, সালিশি মীমাংসায় গৃহীত সিদ্ধান্তে জমির সকল অংশীদার সম্মতি প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সামাজিক সম্পর্ক ও এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে চলার অঙ্গীকার করেছিলেন।
মাদারগঞ্জ মডেল থানার এসআই ওয়াজিউর রহমান জানান, বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম মুসা সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করেন।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় জমি দখলের চেষ্টা এবং নিজেদের সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। মাদারগঞ্জ পৌরসভার বানিকুঞ্জ এলাকার সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী হোসেন আলী এ অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী হোসেন আলী বলেন, আমি বলদভরা মৌজার খতিয়ান নং ২৫-১৮৭৫-এর ১৭৫, ১৭৬ ও ১৭৭ নং দাগে মোট ৪.৫৯ শতাংশ জমির ওয়ারিশসূত্রে অংশীদার ও মালিক। ওই জমির মালিক ছিলেন আমার ছোট ভাই মৃত আসাদুজ্জামান। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী তার স্ত্রী, আমার দুই বোন এবং আমি বৈধ ওয়ারিশ ও অংশীদার হই।
তিনি বলেন, আমার বোন জামিলা খাতুন ও মরিয়ম বেগম তাদের অংশ বিক্রি করে দেন সাইফুল ইসলাম, ফরিদুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামের কাছে। জমির দক্ষিণ পাশে অবস্থানকারী সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলামের চলাচলের রাস্তা না থাকায় বিষয়টি পারিবারিক ও সামাজিক সালিশের মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়— সাইফুল গং উত্তর-পূর্ব পাশে, এরপর আমার জায়গা, এরপর মৃত ভাইয়ের স্ত্রী জান্নাত আরা নাঈমের জায়গা নির্ধারণ করা হয়। এরপর ছয় ফুট রাস্তা এবং সর্বশেষ উত্তর-পশ্চিমে কবরস্থান থাকবে। ছয় ফুট রাস্তার জমির জন্য বিনিময়ও নির্ধারণ করা হয়। সালিশে উপস্থিত সকলের সামনে জমি পরিমাপক আমিন সীমানা নির্ধারণপূর্বক খুঁটি স্থাপন করে আমাকে আমার জমি বুঝিয়ে দেন।
হোসেন আলী আরও বলেন, সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম ছয় ফুট রাস্তা এবং জান্নাত আরা নাঈমের অংশ, আমার ১৭৭ নং দাগে থাকা কবরস্থানের পেছনের ০.৭৫ শতাংশ ও সাইফুল গংয়ের ০.৭৫ শতাংশ জমি নিজেদের দখলে নিয়ে প্রায় সাত ফুট উঁচু প্রাচীর নির্মাণ করেন। পরে সাইফুল গং ও সাজেদুল গংয়ের মধ্যে প্রাচীন সীমানা প্রাচীরকে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাইফুল গং পূর্বের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ছয় ফুট রাস্তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন এবং আমার সীমানার ভেতরে প্রবেশ করে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন। আমি মৌখিকভাবে বাধা দিলে তারা ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর আমাকে বিবাদী করে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে।
তিনি আরও বলেন,অভিযোগের বিষয়টি সামাজিক ও পারিবারিকভাবে নিষ্পত্তির জন্য থানা থেকে বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জরুল ইসলাম মুসাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি একাধিক বৈঠকের মাধ্যমে ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে পূর্বের সালিশের মাপ অনুযায়ী পুনরায় সীমানা নির্ধারণ ও খুঁটি স্থাপন করেন সবার ঐক্যমতের ভিত্তিতে।
হোসেন আলী বলেন, সম্প্রতি জানতে পারি আমার মৃত ভাইয়ের স্ত্রী জান্নাত আরা নাঈম তার অংশ সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলামের কাছে দানপত্রের মাধ্যমে হস্তান্তর করেছেন। যদিও শুরু থেকেই সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম ওই অংশ দখলে রেখেছেন।
মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে জানতে পারি আদালতে সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে জান্নাত আরা নাঈমকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মিথ্যাভাবে উল্লেখ করা হয় যে, বলদভরা মৌজার খতিয়ান নং ২৫-১৮৭৫-এর জমি মৃত আসাদুজ্জামান মৌখিক এওয়াজ বদলের মাধ্যমে হস্তান্তর করে গেছেন। একই সঙ্গে উক্ত মামলায় জমির চৌহদ্দি সংশোধনের আবেদন করে দাবি করা হয় যে, উক্ত খতিয়ানের ১৭৫, ১৭৬ ও ১৭৭ নং দাগের আশেপাশে বাদী সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো অংশীদার বা মালিক নেই।
ঘটনার পরিক্রমায় বিবাদী জান্নাত আরা নাঈমের নিকট মামলার প্রকৃত বিষয়বস্তু ও এর আইনি প্রভাব গোপন রেখে সমঝোতার কথা বলে কৌশলে সোলেনামায় স্বাক্ষর করিয়ে নেয় সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম। এ বিষয়ে হোসেন আলী দাবি করেন, জান্নাত আরা নাঈম তার কাছে নিজেকে প্রতারণার শিকার বলে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি তিনি প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সকল আইনগত সহায়তা ও সত্য উদঘাটনে সহযোগিতা করতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান।
প্রতারনার ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে গত ১৫ মে সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম জোরপূর্বক আমার প্রধান রাস্তা-সংলগ্ন ১৭৫ ও ১৭৬ নং দাগে থাকা ৩.৪৮ শতাংশ জমিতে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করেন এবং আমার যাতায়াতের লোহার গেট বন্ধ করে দেন। তারা এলাকায় প্রচার করছেন পুরো জায়গার মালিকানা তাদের, আমাকে ও সাইফুল গংকে কোনো জমি দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, আমি মোবাইল ফোনে তাদের কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ করলে তারা তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং কাজ চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন। তারা আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন, কুৎসা রটনা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক জমি বিক্রির জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। এক পর্যায়ে সাজেদুল করিম ও রকিবুল ইসলাম নিজেদের সাত ফুট উঁচু দেয়াল নিজেরাই ভেঙে আমাকে ও সাইফুল গংকে ফাঁসানোর অভিযোগ দায়ের করেন।
হোসেন আলী আরও বলেন, সম্প্রতি আমার নামে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে সামাজিকভাবে সম্মানহানি এবং চলমান জমি বিরোধে প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যেই এমন সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আমি এবং আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অবৈধ দখল ও জবরদখল থেকে আমার জায়গা উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয়ে বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম মুসা বলেন, সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে যার যার প্রাপ্য জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, সালিশি মীমাংসায় গৃহীত সিদ্ধান্তে জমির সকল অংশীদার সম্মতি প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সামাজিক সম্পর্ক ও এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে চলার অঙ্গীকার করেছিলেন।
মাদারগঞ্জ মডেল থানার এসআই ওয়াজিউর রহমান জানান, বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম মুসা সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করেন।

আপনার মতামত লিখুন