ব্রাহ্মণবাড়িয়া জলার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের আলাকপুর গ্রামে ৭ বছর বয়সী প্রথম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার ২০ জুন সন্ধ্যা ৭টার দিকে নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের আলাকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত যুবকের নাম পান্না সরকার (১৮)। সে আলাকপুর গ্রামের মৃণাল সরকারের ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রির সহযোগী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় শিশুটি বাড়ির পাশে খেলাধুলার পর শনি পূজা দেখতে পাশের বাড়িতে যাচ্ছিল। পথে নির্জন রাস্তা থেকে অভিযুক্ত পান্না সরকার তাকে কোলে তুলে আলাকপুর লালমোহন সরকার প্রাইমারি স্কুলের দক্ষিণ পাশের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
ঘটনার প্রায় আধা ঘণ্টা পর শিশুটি বাড়ি ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনা জানায়। শিশুটির দাদা জানান, নাতনির মন খারাপ ও শারীরিক কষ্ট দেখে বিস্তারিত জানতে পারেন। রাতেই শিশুটিকে প্রথমে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
এই বিষয়ে জানাতে চাইলে নাসিরনগর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। ডাক্তারি পরীক্ষার পর ঘটনার বিস্তারিত ও প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জলার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের আলাকপুর গ্রামে ৭ বছর বয়সী প্রথম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার ২০ জুন সন্ধ্যা ৭টার দিকে নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের আলাকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত যুবকের নাম পান্না সরকার (১৮)। সে আলাকপুর গ্রামের মৃণাল সরকারের ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রির সহযোগী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় শিশুটি বাড়ির পাশে খেলাধুলার পর শনি পূজা দেখতে পাশের বাড়িতে যাচ্ছিল। পথে নির্জন রাস্তা থেকে অভিযুক্ত পান্না সরকার তাকে কোলে তুলে আলাকপুর লালমোহন সরকার প্রাইমারি স্কুলের দক্ষিণ পাশের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
ঘটনার প্রায় আধা ঘণ্টা পর শিশুটি বাড়ি ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনা জানায়। শিশুটির দাদা জানান, নাতনির মন খারাপ ও শারীরিক কষ্ট দেখে বিস্তারিত জানতে পারেন। রাতেই শিশুটিকে প্রথমে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
এই বিষয়ে জানাতে চাইলে নাসিরনগর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। ডাক্তারি পরীক্ষার পর ঘটনার বিস্তারিত ও প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন