টেকনাফ কক্সবাজার প্রতিনিধি : কামরুল ইসলাম
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমোড়া পাড়া এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় এলাকায় এসব অপকর্ম দিন দিন বিস্তার লাভ করছে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা ছৈয়দ আহমদের ছেলে ছৈয়দ করিম রনি দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে নাটমোড়াপাড়া এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থান করার পর বর্তমানে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আশ্রয়কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছেন। এছাড়াও তার জ্যাঠাতো ভাই ইসমাইলের পিতা বাদশাও একই এলাকায় অবস্থান করছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, হ্নীলা জালিয়াপাড়া ও চৌধুরীপাড়ার মধ্যবর্তী স্লুইসগেইট এলাকা ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র অস্ত্রের মহড়া, ইয়াবা, অস্ত্র ও স্বর্ণের চালান স্থানান্তরের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পরে এসব চালান ইসমাইল ও ছৈয়দ করিমের বাড়িতে মজুদ রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের নিজস্ব পাচারকারী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে, ছৈয়দ করিম হ্নীলা বাসস্টেশনের একটি রড ও সিমেন্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মাসিক মজুরিতে কাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তিনি মাদক সিন্ডিকেটের কর্মকাণ্ড আড়াল এবং বিভিন্ন স্থানে চালান পাচারে সহযোগিতা করছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেটের অভ্যন্তরে কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হলে ছৈয়দ করিম গোপনে সন্ত্রাসী ও মাদক পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের নাটক সাজিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড চললেও রহস্যজনক কারণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসী তৎপরতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
টেকনাফ কক্সবাজার প্রতিনিধি : কামরুল ইসলাম
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমোড়া পাড়া এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় এলাকায় এসব অপকর্ম দিন দিন বিস্তার লাভ করছে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা ছৈয়দ আহমদের ছেলে ছৈয়দ করিম রনি দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে নাটমোড়াপাড়া এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থান করার পর বর্তমানে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আশ্রয়কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছেন। এছাড়াও তার জ্যাঠাতো ভাই ইসমাইলের পিতা বাদশাও একই এলাকায় অবস্থান করছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, হ্নীলা জালিয়াপাড়া ও চৌধুরীপাড়ার মধ্যবর্তী স্লুইসগেইট এলাকা ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র অস্ত্রের মহড়া, ইয়াবা, অস্ত্র ও স্বর্ণের চালান স্থানান্তরের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পরে এসব চালান ইসমাইল ও ছৈয়দ করিমের বাড়িতে মজুদ রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের নিজস্ব পাচারকারী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে, ছৈয়দ করিম হ্নীলা বাসস্টেশনের একটি রড ও সিমেন্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মাসিক মজুরিতে কাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তিনি মাদক সিন্ডিকেটের কর্মকাণ্ড আড়াল এবং বিভিন্ন স্থানে চালান পাচারে সহযোগিতা করছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেটের অভ্যন্তরে কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হলে ছৈয়দ করিম গোপনে সন্ত্রাসী ও মাদক পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের নাটক সাজিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড চললেও রহস্যজনক কারণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসী তৎপরতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন