মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
১৯ মে, ২০২৬ ঢাকা
আজকের দেশ বাংলা

ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত অপরাধীকে গ্রেপ্তারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে জাকসুর বিক্ষোভ-মিছিল



ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত অপরাধীকে গ্রেপ্তারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে জাকসুর বিক্ষোভ-মিছিল



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ছয়দিনেও আসামি গ্রেপ্তারে ব্যর্থতার প্রতিবাদে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) নেতারা।


আজ সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় তারা ১৫ মিনিটের জন্য ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই লেন অবরোধ করে সমাবেশও করেন


সমাবেশে জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীকে নিপীড়ন এবং ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার ১৫০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। অথচ আসামির স্পষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ এবং ছবি পাওয়া গেছে। তার ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দপ্তর—সবাই নাকি কানেক্টেড, কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আমাদের কাছে প্রথমত মনে হচ্ছে, এটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ব্যর্থতা যে তারা এখন পর্যন্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এই জায়গা থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। দ্বিতীয়ত, তারা ঊর্ধ্বতন মহলে আসামিকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগেও ব্যর্থ হয়েছে। একইসঙ্গে এই আন্দোলন ও বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য ক্যাম্পাসের কিছু শিক্ষক সিন্ডিকেট এবং কিছু মহল অন্যায়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক, সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক—সবার ওপর বিভিন্ন আক্রমণাত্মক আচরণ করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।


জাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, জাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রায় দেড়শ ঘণ্টা পার হলেও রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো নীরব ভূমিকা পালন করছে। আমরা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিতে চাই, অবিলম্বে অপরাধীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অন্যথায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজ তীব্র থেকে তীব্রতর আন্দোলন গড়ে তুলবে। এবং এই আন্দোলনের ফলে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, তার সম্পূর্ণ দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাষ্ট্রকে নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

আজকের দেশ বাংলা

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত অপরাধীকে গ্রেপ্তারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে জাকসুর বিক্ষোভ-মিছিল

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ছয়দিনেও আসামি গ্রেপ্তারে ব্যর্থতার প্রতিবাদে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) নেতারা।


আজ সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় তারা ১৫ মিনিটের জন্য ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই লেন অবরোধ করে সমাবেশও করেন


সমাবেশে জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীকে নিপীড়ন এবং ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার ১৫০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। অথচ আসামির স্পষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ এবং ছবি পাওয়া গেছে। তার ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দপ্তর—সবাই নাকি কানেক্টেড, কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আমাদের কাছে প্রথমত মনে হচ্ছে, এটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ব্যর্থতা যে তারা এখন পর্যন্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এই জায়গা থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। দ্বিতীয়ত, তারা ঊর্ধ্বতন মহলে আসামিকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগেও ব্যর্থ হয়েছে। একইসঙ্গে এই আন্দোলন ও বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য ক্যাম্পাসের কিছু শিক্ষক সিন্ডিকেট এবং কিছু মহল অন্যায়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক, সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক—সবার ওপর বিভিন্ন আক্রমণাত্মক আচরণ করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।


জাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, জাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রায় দেড়শ ঘণ্টা পার হলেও রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো নীরব ভূমিকা পালন করছে। আমরা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিতে চাই, অবিলম্বে অপরাধীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অন্যথায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজ তীব্র থেকে তীব্রতর আন্দোলন গড়ে তুলবে। এবং এই আন্দোলনের ফলে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, তার সম্পূর্ণ দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাষ্ট্রকে নিতে হবে।


আজকের দেশ বাংলা

সম্পাদক
মো: নাজমুল হাসান (নাজিম)

কপিরাইট © ২০২৬ আজকের দেশ বাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত