যশোরের বিরামপুর এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক বিশেষ অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ আটক হয়েছেন স্থানীয় যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম। মঙ্গলবার দুপুরে কোতোয়ালি থানা এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে তার কাছ থেকে একটি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি এবং ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। আটক রবিউল নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পদের আড়ালে এলাকায় মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল রবিউলের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, নিজের এবং দলীয় নেত্রী বোনের প্রভাবে এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করেছিলেন তিনি। এমনকি সাধারণ মানুষ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পেত না। সম্প্রতি মাদক ব্যবসায়ীদের প্রকাশ্যে মদদ দেওয়া এবং সালিশ-বিচারের নামে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তোলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নাজমুল হোসেন খান জানান, রবিউলের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক মামলার প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের উৎস এবং এর সাথে বড় কোনো অপরাধী চক্রের যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে ডিএনসি।এদিকে রবিউলের আটকের খবরে বিরামপুর এলাকায় স্বস্তি নেমে এসেছে। জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল হক রানা জানিয়েছেন, অপরাধী যেই হোক তাকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং আটক রবিউলের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে রবিউলকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
যশোরের বিরামপুর এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক বিশেষ অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ আটক হয়েছেন স্থানীয় যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম। মঙ্গলবার দুপুরে কোতোয়ালি থানা এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে তার কাছ থেকে একটি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি এবং ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। আটক রবিউল নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পদের আড়ালে এলাকায় মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল রবিউলের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, নিজের এবং দলীয় নেত্রী বোনের প্রভাবে এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করেছিলেন তিনি। এমনকি সাধারণ মানুষ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পেত না। সম্প্রতি মাদক ব্যবসায়ীদের প্রকাশ্যে মদদ দেওয়া এবং সালিশ-বিচারের নামে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তোলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নাজমুল হোসেন খান জানান, রবিউলের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক মামলার প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের উৎস এবং এর সাথে বড় কোনো অপরাধী চক্রের যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে ডিএনসি।এদিকে রবিউলের আটকের খবরে বিরামপুর এলাকায় স্বস্তি নেমে এসেছে। জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল হক রানা জানিয়েছেন, অপরাধী যেই হোক তাকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং আটক রবিউলের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে রবিউলকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন