ডিএনএ টেস্টের অনুমোদন মিলল আমান উল্লাহ সাগরের।(পলাশ পাল, জেলা প্রতিনিধি) বহুল আলোচিত নেত্রকোণার মদনে ১১ বছরের শিশু ধর্ষণ ও ৭মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।গতকাল ১০মে রোববার বিকেলে তিন দিনের রিমান্ড শেষে চাঞ্চল্যকর এই মামলার আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট জিআরও সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মে রোববার বিকেলে ওই মাদরাসা শিক্ষককে আদালতে হাজির করা হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। সেই সাথে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আখতারুজ্জামান আসামির ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করলে আদালত আবেদনের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রিমান্ড চলাকালীন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।তাছাড়া ভিকটিম ইতোমধ্যে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে, যেখানে সে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করেছে। এর আগে গত সপ্তাহে র্যাব-১৪-এর একটি দল ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।কিন্তু গত ৭ মে বৃহস্পতিবার নেত্রকোণার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।উল্লেখ্য যে, মদন উপজেলার একটি মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। দীর্ঘ সময় বিষয়টি গোপন থাকলেও পরবর্তীতে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ঘটনাটি জানাজানি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা দায়ের করে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
ডিএনএ টেস্টের অনুমোদন মিলল আমান উল্লাহ সাগরের।(পলাশ পাল, জেলা প্রতিনিধি) বহুল আলোচিত নেত্রকোণার মদনে ১১ বছরের শিশু ধর্ষণ ও ৭মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।গতকাল ১০মে রোববার বিকেলে তিন দিনের রিমান্ড শেষে চাঞ্চল্যকর এই মামলার আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট জিআরও সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মে রোববার বিকেলে ওই মাদরাসা শিক্ষককে আদালতে হাজির করা হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। সেই সাথে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আখতারুজ্জামান আসামির ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করলে আদালত আবেদনের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রিমান্ড চলাকালীন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।তাছাড়া ভিকটিম ইতোমধ্যে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে, যেখানে সে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করেছে। এর আগে গত সপ্তাহে র্যাব-১৪-এর একটি দল ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।কিন্তু গত ৭ মে বৃহস্পতিবার নেত্রকোণার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।উল্লেখ্য যে, মদন উপজেলার একটি মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। দীর্ঘ সময় বিষয়টি গোপন থাকলেও পরবর্তীতে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ঘটনাটি জানাজানি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা দায়ের করে।

আপনার মতামত লিখুন