নওগাঁর ধামইরহাট পৌর সদর রবিবারের সাপ্তাহিক হাটে সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে প্রকাশ্য টোল নৈরাজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ইজারাদারের সিন্ডিকেট চক্র ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের জিম্মি করে জোরপূর্বক দ্বিগুণ-তিনগুণ অতিরিক্ত খাজনা হাতিয়ে নিচ্ছে।
জানা গেছে, হাটে ছোট দোকান বসাতে ৪০-৫০ টাকার স্থলে ১০০-১৫০ টাকা, হাঁস-মুরগি বিক্রিতে ৫-৬ টাকার স্থলে ২০ টাকা এবং গরু জবাই বাবদ ১০০ টাকার বিপরীতে ৩৫০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া গরুর বাজারে গাভি গর্ভবতী কি না তা পরীক্ষার নামে ১০০ টাকার নির্ধারিত ফির স্থলে ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ওই পরীক্ষাকারীরা প্রকৃত পশু চিকিৎসক কি না, তা নিয়েও জালিয়াতির সংশয় দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, "প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ না নিলে আমাদের যাওয়ার জায়গা নেই। আমরা এই হাট মালিকদের কাছে সম্পূর্ণ জিম্মি।" এদিকে, এই অনিয়মের বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে অভিযুক্ত হাট মালিক সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে কৌশলে রুম থেকে বের হয়ে যান এবং এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি নয় তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রশান্ত চক্রবর্তী বলেন, "পৌর কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার জানান, "এর আগেও সরেজমিনে তিনটি বড় অনিয়ম পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাট পৌর সদর রবিবারের সাপ্তাহিক হাটে সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে প্রকাশ্য টোল নৈরাজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ইজারাদারের সিন্ডিকেট চক্র ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের জিম্মি করে জোরপূর্বক দ্বিগুণ-তিনগুণ অতিরিক্ত খাজনা হাতিয়ে নিচ্ছে।
জানা গেছে, হাটে ছোট দোকান বসাতে ৪০-৫০ টাকার স্থলে ১০০-১৫০ টাকা, হাঁস-মুরগি বিক্রিতে ৫-৬ টাকার স্থলে ২০ টাকা এবং গরু জবাই বাবদ ১০০ টাকার বিপরীতে ৩৫০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া গরুর বাজারে গাভি গর্ভবতী কি না তা পরীক্ষার নামে ১০০ টাকার নির্ধারিত ফির স্থলে ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ওই পরীক্ষাকারীরা প্রকৃত পশু চিকিৎসক কি না, তা নিয়েও জালিয়াতির সংশয় দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, "প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ না নিলে আমাদের যাওয়ার জায়গা নেই। আমরা এই হাট মালিকদের কাছে সম্পূর্ণ জিম্মি।" এদিকে, এই অনিয়মের বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে অভিযুক্ত হাট মালিক সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে কৌশলে রুম থেকে বের হয়ে যান এবং এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি নয় তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রশান্ত চক্রবর্তী বলেন, "পৌর কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার জানান, "এর আগেও সরেজমিনে তিনটি বড় অনিয়ম পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন