মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
১২ মে, ২০২৬ ঢাকা
আজকের দেশ বাংলা

ঈদের আনন্দ সবার জন্য ছোমাইয়া রফিক বর্না শিক্ষার্থী ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়



ঈদ—এই শব্দটি লিখতে বা উচ্চারণ করতেই মনের মধ্যে এক অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে। আমরা মুসলমান, তাই আমরা ঈদ উদযাপন করি। ঈদের সময় পরিবারের সবাই যখন একসাথে হই, আনন্দ করি, তখন মনে এক অপূর্ব প্রশান্তি অনুভূত হয়।

আমরা নানা ভাবে ঈদ উদযাপন করি। নতুন কাপড় কিনি, সেই নতুন কাপড় পরে সবাই আনন্দ করি। ঘরে ঘরে পিঠা ভাজা হয়, সেমাই, পায়েস, ফিরনি সহ নানান রকম সুস্বাদু খাবারের আয়োজন করা হয়। কোরবানির ঈদে গরুর মাংস কেটে রান্না করা হয়, আর সবাই মিলে একসাথে বসে সেই খাবার উপভোগ করি। ঈদের নামাজ আদায় করে দিনটি সুন্দরভাবে কাটাই।

কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, যাদের কেউ নেই, যারা আমাদের মতো সামর্থ্যবান নয়—তারা কীভাবে ঈদ উদযাপন করে? অনেকেরই নতুন কাপড় নেই, ভালো খাবারের আয়োজনও নেই। তাদের জন্য ঈদের আনন্দ অনেক সময় অপূর্ণই থেকে যায়।

তাই আর দেরি নয়। এখন থেকেই আমাদের উচিত নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানো। কোরবানির মাংস আগে তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া, তাদের খাওয়ানো এবং ঈদের আনন্দে তাদেরও শামিল করা। তবেই ঈদের প্রকৃত আনন্দ ও সৌন্দর্য পূর্ণতা পাবে। ঈদ তখনই সত্যিকারের আনন্দময় হবে, যখন সেই আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন

আজকের দেশ বাংলা

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


ঈদের আনন্দ সবার জন্য ছোমাইয়া রফিক বর্না শিক্ষার্থী ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

ঈদ—এই শব্দটি লিখতে বা উচ্চারণ করতেই মনের মধ্যে এক অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে। আমরা মুসলমান, তাই আমরা ঈদ উদযাপন করি। ঈদের সময় পরিবারের সবাই যখন একসাথে হই, আনন্দ করি, তখন মনে এক অপূর্ব প্রশান্তি অনুভূত হয়।

আমরা নানা ভাবে ঈদ উদযাপন করি। নতুন কাপড় কিনি, সেই নতুন কাপড় পরে সবাই আনন্দ করি। ঘরে ঘরে পিঠা ভাজা হয়, সেমাই, পায়েস, ফিরনি সহ নানান রকম সুস্বাদু খাবারের আয়োজন করা হয়। কোরবানির ঈদে গরুর মাংস কেটে রান্না করা হয়, আর সবাই মিলে একসাথে বসে সেই খাবার উপভোগ করি। ঈদের নামাজ আদায় করে দিনটি সুন্দরভাবে কাটাই।

কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, যাদের কেউ নেই, যারা আমাদের মতো সামর্থ্যবান নয়—তারা কীভাবে ঈদ উদযাপন করে? অনেকেরই নতুন কাপড় নেই, ভালো খাবারের আয়োজনও নেই। তাদের জন্য ঈদের আনন্দ অনেক সময় অপূর্ণই থেকে যায়।

তাই আর দেরি নয়। এখন থেকেই আমাদের উচিত নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানো। কোরবানির মাংস আগে তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া, তাদের খাওয়ানো এবং ঈদের আনন্দে তাদেরও শামিল করা। তবেই ঈদের প্রকৃত আনন্দ ও সৌন্দর্য পূর্ণতা পাবে। ঈদ তখনই সত্যিকারের আনন্দময় হবে, যখন সেই আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়বে।


আজকের দেশ বাংলা

সম্পাদক
মো: নাজমুল হাসান (নাজিম)

কপিরাইট © ২০২৬ আজকের দেশ বাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত