সুন্দরবনে হরিণ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাঁদ পাতার সময় ৪ শিকারীকে আটক করেছে পূর্ব বনবিভাগের কর্মীরা।
শনিবার (৪ জুলাই) ভোরে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের মৃগামারী খাল সংলগ্ন এলাকা থেকে হরিণ শিকারের অসংখ্য ফাঁদ ও কাঁকড়াসহ চার শিকারীকে আটক করা হয়।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মো.রেজাউল করিম চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বন প্রহরীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে গভীর রাতে সুন্দরবনের মৃগামারী খাল সংলগ্ন এলাকায় হরিণ শিকারের চেষ্টা করে চার শিকারী। এ সময় বন বিভাগের টহল দল তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।
আটককৃত শিকারীরা হলেন মোংলা উপজেলার দক্ষিণ চিলা গ্রামের মৃত হাবিব হাওলাদারের ছেলে ফরিদ হাওলাদার (৪৫), একই গ্রামের কাদের খানের ছেলে আতাউর খান (৫০), আলতাফ জমাদ্দারের ছেলে মোজাম জমাদ্দার (৩৩) এবং মৃত হাই জমাদ্দারের ছেলে রুহুল জমাদ্দার (৩৫)।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবন থেকে হরিণ শিকার করে আসছিল ফরিদ হাওলাদার। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েক দিনের নিয়মিত টহলের পর চিহ্নিত ওই হরিণ শিকারীদের আটক করতে সক্ষম হয় বন বিভাগ।
অবশেষে কয়েক দিনের চেষ্টায় কুখ্যাত এই হরিণ শিকারীকে ৪ জুলাই আটক করা সম্ভব হয়। উল্লেখ্য, ফরিদ হাওলাদার ওরফে টাকু ফরিদ এর আগে হরিণের মাংস ও ফাঁদসহ গ্রেফতার হয়েছিল। আদালত থেকে জামিন নিয়ে তিনি আবারও দলবল নিয়ে হরিণ শিকারে নামে।
আটক হওয়া হরিণ শিকারীদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের শেষে শনিবার তাদের বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করেছে বন বিভাগ।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
সুন্দরবনে হরিণ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাঁদ পাতার সময় ৪ শিকারীকে আটক করেছে পূর্ব বনবিভাগের কর্মীরা।
শনিবার (৪ জুলাই) ভোরে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের মৃগামারী খাল সংলগ্ন এলাকা থেকে হরিণ শিকারের অসংখ্য ফাঁদ ও কাঁকড়াসহ চার শিকারীকে আটক করা হয়।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মো.রেজাউল করিম চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বন প্রহরীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে গভীর রাতে সুন্দরবনের মৃগামারী খাল সংলগ্ন এলাকায় হরিণ শিকারের চেষ্টা করে চার শিকারী। এ সময় বন বিভাগের টহল দল তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।
আটককৃত শিকারীরা হলেন মোংলা উপজেলার দক্ষিণ চিলা গ্রামের মৃত হাবিব হাওলাদারের ছেলে ফরিদ হাওলাদার (৪৫), একই গ্রামের কাদের খানের ছেলে আতাউর খান (৫০), আলতাফ জমাদ্দারের ছেলে মোজাম জমাদ্দার (৩৩) এবং মৃত হাই জমাদ্দারের ছেলে রুহুল জমাদ্দার (৩৫)।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবন থেকে হরিণ শিকার করে আসছিল ফরিদ হাওলাদার। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েক দিনের নিয়মিত টহলের পর চিহ্নিত ওই হরিণ শিকারীদের আটক করতে সক্ষম হয় বন বিভাগ।
অবশেষে কয়েক দিনের চেষ্টায় কুখ্যাত এই হরিণ শিকারীকে ৪ জুলাই আটক করা সম্ভব হয়। উল্লেখ্য, ফরিদ হাওলাদার ওরফে টাকু ফরিদ এর আগে হরিণের মাংস ও ফাঁদসহ গ্রেফতার হয়েছিল। আদালত থেকে জামিন নিয়ে তিনি আবারও দলবল নিয়ে হরিণ শিকারে নামে।
আটক হওয়া হরিণ শিকারীদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের শেষে শনিবার তাদের বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করেছে বন বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন