জামালপুরের ৫ নং জোডখালী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা ও চশমা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব মো. নজরুল ইসলাম বিএসসি।
শনিবার উপজেলার খামারমাগুড়া ড্রাইভিশন আয়াত এন্ড রুকু মেডিকেল হলে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের নারী, পুরুষ, বয়স্ক ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। সকাল থেকেই সেবা নিতে আগত মানুষের উপস্থিতিতে মেডিকেল হল প্রাঙ্গণ মুখর হয়ে ওঠে।
কর্মসূচিতে অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আগতদের চোখ পরীক্ষা করেন। পরীক্ষার পর যাদের চশমার প্রয়োজন হয়, তাদের হাতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চশমা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি উপস্থিত ব্যক্তিদের চোখের যত্ন, দৃষ্টিশক্তি রক্ষা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়।
সেবা নিতে আসা অনেকেই জানান, দীর্ঘদিন ধরে চোখে ঝাপসা দেখা, পড়তে অসুবিধা কিংবা দূরের বস্তু স্পষ্ট না দেখার মতো সমস্যায় ভুগলেও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসা বা চশমা কেনা সম্ভব হয়নি। বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা ও চশমা পেয়ে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব মো.নজরুল ইসলাম বিএসসির সহধর্মিণী, মো. খবিরুল ইসলাম মাস্টার, ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি জনাব মো. চাঁনতারা, সমাজসেবক জনাব মো. নুর মাহমুদসহ এলাকার অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা কর্মসূচি ঘুরে দেখেন এবং উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. নজরুল বিএসসি বলেন, “মানুষের পাশে থাকাই আমার অঙ্গীকার। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। অনেক অসচ্ছল মানুষ অর্থের অভাবে চোখের চিকিৎসা করাতে পারেন না। তাদের কথা চিন্তা করেই এই বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা ও চশমা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবিক সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।”
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বিশেষ করে অসচ্ছল ও বয়স্ক মানুষেরা বিনামূল্যে সেবা পেয়ে উপকৃত হয়েছেন। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবামূলক কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ সেবা গ্রহণ করেন। স্থানীয়দের মতে, এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করেছে এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ আরও সহজলভ্য করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
জামালপুরের ৫ নং জোডখালী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা ও চশমা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব মো. নজরুল ইসলাম বিএসসি।
শনিবার উপজেলার খামারমাগুড়া ড্রাইভিশন আয়াত এন্ড রুকু মেডিকেল হলে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের নারী, পুরুষ, বয়স্ক ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। সকাল থেকেই সেবা নিতে আগত মানুষের উপস্থিতিতে মেডিকেল হল প্রাঙ্গণ মুখর হয়ে ওঠে।
কর্মসূচিতে অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আগতদের চোখ পরীক্ষা করেন। পরীক্ষার পর যাদের চশমার প্রয়োজন হয়, তাদের হাতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চশমা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি উপস্থিত ব্যক্তিদের চোখের যত্ন, দৃষ্টিশক্তি রক্ষা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়।
সেবা নিতে আসা অনেকেই জানান, দীর্ঘদিন ধরে চোখে ঝাপসা দেখা, পড়তে অসুবিধা কিংবা দূরের বস্তু স্পষ্ট না দেখার মতো সমস্যায় ভুগলেও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসা বা চশমা কেনা সম্ভব হয়নি। বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা ও চশমা পেয়ে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব মো.নজরুল ইসলাম বিএসসির সহধর্মিণী, মো. খবিরুল ইসলাম মাস্টার, ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি জনাব মো. চাঁনতারা, সমাজসেবক জনাব মো. নুর মাহমুদসহ এলাকার অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা কর্মসূচি ঘুরে দেখেন এবং উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. নজরুল বিএসসি বলেন, “মানুষের পাশে থাকাই আমার অঙ্গীকার। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। অনেক অসচ্ছল মানুষ অর্থের অভাবে চোখের চিকিৎসা করাতে পারেন না। তাদের কথা চিন্তা করেই এই বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা ও চশমা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবিক সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।”
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বিশেষ করে অসচ্ছল ও বয়স্ক মানুষেরা বিনামূল্যে সেবা পেয়ে উপকৃত হয়েছেন। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবামূলক কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ সেবা গ্রহণ করেন। স্থানীয়দের মতে, এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করেছে এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ আরও সহজলভ্য করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন