সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের ৫ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত উত্তর জগন্নাথপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন জনাব গোলাম কবির সাহেব দীর্ঘ ২৩ বছর মসজিদের খেদমত করার পর রাজকীয় বিদায় জগন্নাথপুর গ্রামবাসীর এ আয়োজনে সম্মামনা ক্রেস্ট কাপড় ও ক্যাশ ১ লক্ষ ১৫ হাজার + টাকা দিয়ে বিদায় দিয়েছেন। আজ শুক্রবার ০৩ জুলাই ২০২৬ বাদ জুময়া এ আয়োজন করা হয়।
এতে সাংবাদিক আলী হোসেন খান এর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন অত্র মসজিদের মোতাওয়াল্লি আকামত আলী, সদস্য ফারুক আহমদ, আনর মিয়া, মইন উদ্দিন আজিজুল মিয়া,আব্দুল কাদির, আলী হোসেন রাজ,প্রমুখ।
গ্রামের যুবসমাজের পক্ষ থেকে বিদায়ী মুয়াজ্জিন সাহেব এর হাতে নগদ অর্থ, সম্মাননা স্মারক ও উপহার তুলে দেওয়া হয়।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিতে গিয়ে
বক্তারা বলেন, গোলাম কবির দীর্ঘ ২৩ বছর অত্যন্ত নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে মসজিদের সেবা করে গেছেন। তাঁর অবদান এলাকাবাসী সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। ভবিষ্যৎ জীবন সুখ, শান্তি ও সুস্বাস্থ্যে কাটুক—এ কামনাও করেন। গ্রামের সর্বস্তরের যুবক, মুসল্লি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ মিডিয়া কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা (শোডাউন) এবং মাইক্রোবাসে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় এলাকার শত শত যুবক ও মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের ৫ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত উত্তর জগন্নাথপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন জনাব গোলাম কবির সাহেব দীর্ঘ ২৩ বছর মসজিদের খেদমত করার পর রাজকীয় বিদায় জগন্নাথপুর গ্রামবাসীর এ আয়োজনে সম্মামনা ক্রেস্ট কাপড় ও ক্যাশ ১ লক্ষ ১৫ হাজার + টাকা দিয়ে বিদায় দিয়েছেন। আজ শুক্রবার ০৩ জুলাই ২০২৬ বাদ জুময়া এ আয়োজন করা হয়।
এতে সাংবাদিক আলী হোসেন খান এর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন অত্র মসজিদের মোতাওয়াল্লি আকামত আলী, সদস্য ফারুক আহমদ, আনর মিয়া, মইন উদ্দিন আজিজুল মিয়া,আব্দুল কাদির, আলী হোসেন রাজ,প্রমুখ।
গ্রামের যুবসমাজের পক্ষ থেকে বিদায়ী মুয়াজ্জিন সাহেব এর হাতে নগদ অর্থ, সম্মাননা স্মারক ও উপহার তুলে দেওয়া হয়।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিতে গিয়ে
বক্তারা বলেন, গোলাম কবির দীর্ঘ ২৩ বছর অত্যন্ত নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে মসজিদের সেবা করে গেছেন। তাঁর অবদান এলাকাবাসী সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। ভবিষ্যৎ জীবন সুখ, শান্তি ও সুস্বাস্থ্যে কাটুক—এ কামনাও করেন। গ্রামের সর্বস্তরের যুবক, মুসল্লি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ মিডিয়া কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা (শোডাউন) এবং মাইক্রোবাসে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় এলাকার শত শত যুবক ও মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন