নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ধামইরহাট ইউনিয়নের বেনিদুয়ার গ্রামে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে শাকিল হোসেনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের হওয়ার পর ঘটনাটি নতুন মোড় নিয়েছে। কারণ, মামলার বাদী হিসেবে পরিচিত ওই নারীই এখন দাবি করছেন, মামলায় উল্লেখিত অনেক বিষয় প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে মিল নেই। পারিবারিক কলহকে মামলায় রূপ দেওয়ার অভিযোগ, আলোচনায় চুমকি
মিথ্যা মামলায় তিনজনকে ফাঁসানোর অভিযোগ, এলাকায় 'মামলাবাজ' হিসেবে পরিচিত বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের ।
ভুক্তভোগী স্বপ্না জানান, তার স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত একটি পেরেকের আঘাতে তার মাথায় সামান্য কেটে যায়। তিনি দাবি করেন, এটি কোনো মারধরের ঘটনা ছিল না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় তার গায়ের ওড়না খুলে পড়ে যায়। পরে ওড়না আনতে তিনি প্রতিবেশী চুমকি নামের এক নারীর বাড়িতে গেলে ওই নারী তাকে থানায় গিয়ে অভিযোগ করতে বলেন। কিন্তু তিনি রাজি না হলে জোরপূর্বক তার পিঠে আঘাতের দাগ তৈরি করা হয় এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার অজান্তে চুমকি তার মামাকে সঙ্গে নিয়ে থানায় গিয়ে শাকিল হোসেনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে, স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। তাদের দাবি, অতীতেও একই ধরনের একাধিক ঘটনায় পারিবারিক বিরোধকে মামলা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, এর আগেও কয়েকজনের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগে মামলা হয়েছে বলে তিনি জানেন। তবে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে, এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত চুমকির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ধামইরহাট ইউনিয়নের বেনিদুয়ার গ্রামে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে শাকিল হোসেনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের হওয়ার পর ঘটনাটি নতুন মোড় নিয়েছে। কারণ, মামলার বাদী হিসেবে পরিচিত ওই নারীই এখন দাবি করছেন, মামলায় উল্লেখিত অনেক বিষয় প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে মিল নেই। পারিবারিক কলহকে মামলায় রূপ দেওয়ার অভিযোগ, আলোচনায় চুমকি
মিথ্যা মামলায় তিনজনকে ফাঁসানোর অভিযোগ, এলাকায় 'মামলাবাজ' হিসেবে পরিচিত বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের ।
ভুক্তভোগী স্বপ্না জানান, তার স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত একটি পেরেকের আঘাতে তার মাথায় সামান্য কেটে যায়। তিনি দাবি করেন, এটি কোনো মারধরের ঘটনা ছিল না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় তার গায়ের ওড়না খুলে পড়ে যায়। পরে ওড়না আনতে তিনি প্রতিবেশী চুমকি নামের এক নারীর বাড়িতে গেলে ওই নারী তাকে থানায় গিয়ে অভিযোগ করতে বলেন। কিন্তু তিনি রাজি না হলে জোরপূর্বক তার পিঠে আঘাতের দাগ তৈরি করা হয় এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার অজান্তে চুমকি তার মামাকে সঙ্গে নিয়ে থানায় গিয়ে শাকিল হোসেনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে, স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। তাদের দাবি, অতীতেও একই ধরনের একাধিক ঘটনায় পারিবারিক বিরোধকে মামলা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, এর আগেও কয়েকজনের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগে মামলা হয়েছে বলে তিনি জানেন। তবে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে, এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত চুমকির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন