ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাদকাসক্ত ভাতিজা গোলাম হোসেন পলাতক রয়েছে। পুলিশ জানায়, ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের কেতকিরহাট মাঝিপাড়া এলাকায় রবিবার গভীর রাতে কৌশলে ঘরে ঢুকে চাচা শাহ জালালকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, মাদকাসক্ত গোলাম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের জেরে ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং সম্প্রতি তার স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় চাচা শাহ জালালের ওপর চড়াও হন। শনিবার ঢাকা থেকে ফিরে রবিবার রাতে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর আগে, প্রতিবেশীরা যেন বের হতে না পারে সেজন্য বাহির থেকে তাদের ঘরের দরজা আটকে দেয় অভিযুক্ত গোলাম। গোঙানির শব্দ শুনে নিহতের স্ত্রী এগিয়ে এলে গোলাম হোসেন পালিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই শাহ জালালের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সোমবার সকালে ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুরুল হুদা ও সিআইডি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একটি ধারালো ছুরি জব্দ করেন এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠান; বর্তমানে অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাদকাসক্ত ভাতিজা গোলাম হোসেন পলাতক রয়েছে। পুলিশ জানায়, ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের কেতকিরহাট মাঝিপাড়া এলাকায় রবিবার গভীর রাতে কৌশলে ঘরে ঢুকে চাচা শাহ জালালকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, মাদকাসক্ত গোলাম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের জেরে ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং সম্প্রতি তার স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় চাচা শাহ জালালের ওপর চড়াও হন। শনিবার ঢাকা থেকে ফিরে রবিবার রাতে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর আগে, প্রতিবেশীরা যেন বের হতে না পারে সেজন্য বাহির থেকে তাদের ঘরের দরজা আটকে দেয় অভিযুক্ত গোলাম। গোঙানির শব্দ শুনে নিহতের স্ত্রী এগিয়ে এলে গোলাম হোসেন পালিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই শাহ জালালের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সোমবার সকালে ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুরুল হুদা ও সিআইডি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একটি ধারালো ছুরি জব্দ করেন এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠান; বর্তমানে অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন