শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
১৭ জুলাই, ২০২৬ ঢাকা
আজকের দেশ বাংলা

হাদারপাড় বাজারে ভারতীয় গরু-মহিষের অবৈধ বেচাকেনার অভিযোগ, তদন্তের দাবি



হাদারপাড় বাজারে ভারতীয় গরু-মহিষের অবৈধ বেচাকেনার অভিযোগ, তদন্তের দাবি
ছবি প্রতিনিধি


সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপাড় বাজারে দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় গরু ও মহিষের অবৈধ ক্রয়-বিক্রয় চলছে—এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের একটি অংশের পক্ষ থেকে।


অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর বিছনাকান্দি  সীমান্তের ১২৫১, ১২৫২ ও ১২৬৩ নম্বর পিলারসংলগ্ন এলাকা দিয়ে ভারতীয় গরু ও মহিষ বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পরে হাদারপাড় বাজারে বিক্রি করা হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার গরু-মহিষ বাজারে আসে।


এছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি গরু বা মহিষ থেকে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ আদায় করা হয়। অভিযোগে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।


এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে সংযুক্ত করা হবে।


স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

আজকের দেশ বাংলা

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬


হাদারপাড় বাজারে ভারতীয় গরু-মহিষের অবৈধ বেচাকেনার অভিযোগ, তদন্তের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image


সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপাড় বাজারে দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় গরু ও মহিষের অবৈধ ক্রয়-বিক্রয় চলছে—এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের একটি অংশের পক্ষ থেকে।


অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর বিছনাকান্দি  সীমান্তের ১২৫১, ১২৫২ ও ১২৬৩ নম্বর পিলারসংলগ্ন এলাকা দিয়ে ভারতীয় গরু ও মহিষ বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পরে হাদারপাড় বাজারে বিক্রি করা হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার গরু-মহিষ বাজারে আসে।


এছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি গরু বা মহিষ থেকে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ আদায় করা হয়। অভিযোগে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।


এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে সংযুক্ত করা হবে।


স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


আজকের দেশ বাংলা

সম্পাদক
মো: নাজমুল হাসান (নাজিম)

কপিরাইট © ২০২৬ আজকের দেশ বাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত