মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
০৫ মে, ২০২৬ ঢাকা
আজকের দেশ বাংলা

রামগড়ে ভুয়া ডাক্তারকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা



রামগড়ে ভুয়া ডাক্তারকে  ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
রামগড়ে ভুয়া ডাক্তারকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কালাডেবা বাজারে ডাক্তার না হয়েও নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবী ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার দায়ে শহিদুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রবিবার (৩ মে) রাতে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী  শামীম। এ সময় তাকে হাতে নাতে প্রমাণ সহ আটক করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। বিষয়টি আইনগত ভাবে গুরুতর অপরাধ হওয়ায় প্রযোজ্য আইনের আওতায় এনে তাৎক্ষণিকভাবে এই অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম জানান, ডাক্তার না হয়েও ডাক্তার পদবী ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২৮\৩ দ্বারা লঙ্ঘনের অপরাধে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ এ,বি,এম মোজাম্মেল হক, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর রণি ত্রিপুরা, থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে ভুয়া চিকিৎসকদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং সাধারণ মানুষ প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাবে।

আপনার মতামত লিখুন

আজকের দেশ বাংলা

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬


রামগড়ে ভুয়া ডাক্তারকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কালাডেবা বাজারে ডাক্তার না হয়েও নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবী ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার দায়ে শহিদুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রবিবার (৩ মে) রাতে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী  শামীম। এ সময় তাকে হাতে নাতে প্রমাণ সহ আটক করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। বিষয়টি আইনগত ভাবে গুরুতর অপরাধ হওয়ায় প্রযোজ্য আইনের আওতায় এনে তাৎক্ষণিকভাবে এই অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম জানান, ডাক্তার না হয়েও ডাক্তার পদবী ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২৮\৩ দ্বারা লঙ্ঘনের অপরাধে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ এ,বি,এম মোজাম্মেল হক, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর রণি ত্রিপুরা, থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে ভুয়া চিকিৎসকদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং সাধারণ মানুষ প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাবে।


আজকের দেশ বাংলা

সম্পাদক
মো: নাজমুল হাসান (নাজিম)

কপিরাইট © ২০২৬ আজকের দেশ বাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত