মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
০৫ মে, ২০২৬ ঢাকা
আজকের দেশ বাংলা

ধামইরহাটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে বালু খেকুদের থাবা, হুমকির মুখে নদী ও জনপদ



 

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের মানপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা ছোট যমুনা নদীতে বালু খেকুদের আগ্রাসী থাবা পড়েছে। শুষ্ক মৌসুমকে পুঁজি করে দিন-রাত সমানে নদী থেকে সমানে অবৈধ বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিনের চেয়ে রাতে এই বালু পাচারের তীব্রতা বহুগুণ বেড়ে যায়। রাত গভীর হতেই খননস্থলে বালু পরিবহনকারী শত শত ট্রাক্টরের শব্দে আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে। সরকারি কোনো ইজারা বা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা ছাড়াই এসব চোরাই বালু প্রকাশ্যেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। স্পটে স্পটে বালুর বিশালাকার স্তূপ দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটি পুরোপুরি একটি বেআইনি ও কালো ব্যবসা। 

অবৈধভাবে পাড় ঘেঁষে গভীর খননের ফলে চরম ঝুঁকিতে পড়েছে নদী তীরবর্তী সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরবাড়ি ও কৃষকদের শত শত একর আবাদি জমি। এ অবস্থায় স্থানীয় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা পরিবেশ ও নিজেদের বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 

এ বিষয়ে ধামইরহাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রশান্ত চক্রবর্তী জানান, "নদীতে অবৈধ খনন ও বালু পাচারের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুতই নির্দিষ্ট স্পটগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালু খেকু চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

আপনার মতামত লিখুন

আজকের দেশ বাংলা

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬


ধামইরহাটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে বালু খেকুদের থাবা, হুমকির মুখে নদী ও জনপদ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

 

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের মানপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা ছোট যমুনা নদীতে বালু খেকুদের আগ্রাসী থাবা পড়েছে। শুষ্ক মৌসুমকে পুঁজি করে দিন-রাত সমানে নদী থেকে সমানে অবৈধ বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিনের চেয়ে রাতে এই বালু পাচারের তীব্রতা বহুগুণ বেড়ে যায়। রাত গভীর হতেই খননস্থলে বালু পরিবহনকারী শত শত ট্রাক্টরের শব্দে আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে। সরকারি কোনো ইজারা বা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা ছাড়াই এসব চোরাই বালু প্রকাশ্যেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। স্পটে স্পটে বালুর বিশালাকার স্তূপ দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটি পুরোপুরি একটি বেআইনি ও কালো ব্যবসা। 

অবৈধভাবে পাড় ঘেঁষে গভীর খননের ফলে চরম ঝুঁকিতে পড়েছে নদী তীরবর্তী সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরবাড়ি ও কৃষকদের শত শত একর আবাদি জমি। এ অবস্থায় স্থানীয় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা পরিবেশ ও নিজেদের বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 

এ বিষয়ে ধামইরহাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রশান্ত চক্রবর্তী জানান, "নদীতে অবৈধ খনন ও বালু পাচারের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুতই নির্দিষ্ট স্পটগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালু খেকু চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"


আজকের দেশ বাংলা

সম্পাদক
মো: নাজমুল হাসান (নাজিম)

কপিরাইট © ২০২৬ আজকের দেশ বাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত