আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগাম পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ এপ্রিল ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢল এর সম্ভাব্য কারণে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা থাকায় নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মাধ্যমে কৃষি এবং কৃষকের জন্য জরুরি সতর্কীকরণ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে উপজেলার সকল কৃষককে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ধান পাকলেই দ্রুত কর্তনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।তবে কৃষকের ফসলি জমিতে বর্তমান বাস্তব চিত্রে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন ।ঘোষণার প্রেক্ষিতে হাওরাঞ্চলের কৃষকরা বর্তমানে রয়েছেন চরম দুর্ভোগের মধ্যে। ধান কাটার সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রয়োজনীয় শ্রমিক।যার রয়েছে তীব্র সংকট।এরই প্রেক্ষিতে ধান কাটতে গিয়ে বাধ্য হয়েই কৃষকদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি খরচ।বর্তমানে প্রতি কাঠা জমিতে ধান কাটার জন্য শ্রমিকরা ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি নিচ্ছেন, যা আগের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। তাছাড়া ফসলি জমি ক্ষেত্র বিশেষে অর্থাৎ উঁচু-নিচু হওয়ার কারণে আধুনিক হারভেস্টার মেশিন সকল জমিতে পৌঁছাতে না পারায় কৃষকরা যান্ত্রিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।ফলশ্রুতিতে ধান কাটার কাজ করতে সময় ও পরিশ্রম বেশি লাগছে,সেই সাথে বাড়ছে কৃষকের উৎপাদন খরচ। ফলে বাধ্য হয়ে ব্যয়বহুল শ্রমিকের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগাম পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ এপ্রিল ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢল এর সম্ভাব্য কারণে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা থাকায় নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মাধ্যমে কৃষি এবং কৃষকের জন্য জরুরি সতর্কীকরণ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে উপজেলার সকল কৃষককে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ধান পাকলেই দ্রুত কর্তনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।তবে কৃষকের ফসলি জমিতে বর্তমান বাস্তব চিত্রে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন ।ঘোষণার প্রেক্ষিতে হাওরাঞ্চলের কৃষকরা বর্তমানে রয়েছেন চরম দুর্ভোগের মধ্যে। ধান কাটার সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রয়োজনীয় শ্রমিক।যার রয়েছে তীব্র সংকট।এরই প্রেক্ষিতে ধান কাটতে গিয়ে বাধ্য হয়েই কৃষকদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি খরচ।বর্তমানে প্রতি কাঠা জমিতে ধান কাটার জন্য শ্রমিকরা ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি নিচ্ছেন, যা আগের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। তাছাড়া ফসলি জমি ক্ষেত্র বিশেষে অর্থাৎ উঁচু-নিচু হওয়ার কারণে আধুনিক হারভেস্টার মেশিন সকল জমিতে পৌঁছাতে না পারায় কৃষকরা যান্ত্রিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।ফলশ্রুতিতে ধান কাটার কাজ করতে সময় ও পরিশ্রম বেশি লাগছে,সেই সাথে বাড়ছে কৃষকের উৎপাদন খরচ। ফলে বাধ্য হয়ে ব্যয়বহুল শ্রমিকের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের।

আপনার মতামত লিখুন