যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে নেমেছে স্থানীয় প্রশাসন। আজ ০৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখ দুপুরে উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের খাজুরা বাজারে এক বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ভূপালী সরকার।অভিযান চলাকালে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবনের অপরাধে দুই ব্যক্তিকে আটক করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— সোহাগ হোসেন ও বাসের।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খাজুরা বাজারে পুলিশের একটি চৌকস টিমকে সঙ্গে নিয়ে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভূপালী সরকার। অভিযান চলাকালীন সোহাগ ও বাসেরকে মাদক সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয়। আটককৃতরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
সাজা প্রদানের পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভূপালী সরকার জানান, মাদকের মরণছোবল থেকে তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, “খাজুরা বাজারসহ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলবে। সমাজকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান শিথিল হবে না।”
অভিযান শেষে পুলিশি পাহারায় দণ্ডপ্রাপ্তদের জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। পুলিশের ওই চৌকস টিমটির পেশাদারিত্ব এবং ইউএনও’র তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে এক জোরালো সতর্কবার্তা পৌঁছে গেছে।খাজুরা বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ী ও পথচারীরা প্রশাসনের এই তড়িৎ পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়রা জানান, দিনের বেলা জনসমাগমস্থলে মাদক সেবনের ফলে বাজারের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল। ইউএনও ভূপালী সরকারের এই সরাসরি উপস্থিতিতে পরিচালিত অভিযান মাদকসেবীদের মনে ভীতির সঞ্চার করেছে এবং জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে নেমেছে স্থানীয় প্রশাসন। আজ ০৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখ দুপুরে উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের খাজুরা বাজারে এক বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ভূপালী সরকার।অভিযান চলাকালে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবনের অপরাধে দুই ব্যক্তিকে আটক করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— সোহাগ হোসেন ও বাসের।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খাজুরা বাজারে পুলিশের একটি চৌকস টিমকে সঙ্গে নিয়ে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভূপালী সরকার। অভিযান চলাকালীন সোহাগ ও বাসেরকে মাদক সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয়। আটককৃতরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
সাজা প্রদানের পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভূপালী সরকার জানান, মাদকের মরণছোবল থেকে তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, “খাজুরা বাজারসহ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলবে। সমাজকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান শিথিল হবে না।”
অভিযান শেষে পুলিশি পাহারায় দণ্ডপ্রাপ্তদের জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। পুলিশের ওই চৌকস টিমটির পেশাদারিত্ব এবং ইউএনও’র তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে এক জোরালো সতর্কবার্তা পৌঁছে গেছে।খাজুরা বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ী ও পথচারীরা প্রশাসনের এই তড়িৎ পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়রা জানান, দিনের বেলা জনসমাগমস্থলে মাদক সেবনের ফলে বাজারের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল। ইউএনও ভূপালী সরকারের এই সরাসরি উপস্থিতিতে পরিচালিত অভিযান মাদকসেবীদের মনে ভীতির সঞ্চার করেছে এবং জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

আপনার মতামত লিখুন