নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, আসন্ন ঈদ উল ফিতরকে ঘিরে নীলফামারি জেলায় কোন ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা নেই। ইতিমধ্যে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় এক কৃষি প্রজেক্ট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি ৷
এসপি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে কৃষিতে আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উৎপাদন দেশের উন্নতি করে, এছাড়াও ফেলে রাখা জমিগুলো কৃষির আওতায় আনতে হবে। এতে আমরা শষ্যে উন্নত হবো এবং দেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে। কৃষকরা যারা এসব পন্য শহরে নিয়ে যাচ্ছে তারা যদি কেউ চাঁদাবাজির স্বীকার হয় অবশ্যই তারা পুলিশকে জানাবে। আমরা পুলিশরা সবসময় কৃষকদের পাশে আছি। যারা এই চাঁদাবাজি করে আমরা তাদের আইনের আওতায় আনার সর্বচ্ছ চেষ্টা করবো৷
তিনি আরও বলেন, আমরা জেলার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত রয়েছি। এখন পর্যন্ত জেলায় কোন ধরনের চাঁদাবাজি কিংবা সহিংসতার ঘটনা নজরে আসেনি। ঈদকে ঘিরে আমরা বিভিন্ন জায়গায় টহল অব্যাহত রেখেছি। আমাদের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তৎপর রয়েছে। যারা চাকরির জন্য জেলার বাহিরে অবস্থান করে ঈদে জেলায় আসবে তাদের নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে আমরা সহায়তা করবো। ঈদের সময়ে পুলিশ নিজে ছুটিতে না গিয়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। পুলিশ সবসময় সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিয়ে সহায়তা করবে।
এসময়ে নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, আসন্ন ঈদ উল ফিতরকে ঘিরে নীলফামারি জেলায় কোন ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা নেই। ইতিমধ্যে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় এক কৃষি প্রজেক্ট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি ৷
এসপি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে কৃষিতে আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উৎপাদন দেশের উন্নতি করে, এছাড়াও ফেলে রাখা জমিগুলো কৃষির আওতায় আনতে হবে। এতে আমরা শষ্যে উন্নত হবো এবং দেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে। কৃষকরা যারা এসব পন্য শহরে নিয়ে যাচ্ছে তারা যদি কেউ চাঁদাবাজির স্বীকার হয় অবশ্যই তারা পুলিশকে জানাবে। আমরা পুলিশরা সবসময় কৃষকদের পাশে আছি। যারা এই চাঁদাবাজি করে আমরা তাদের আইনের আওতায় আনার সর্বচ্ছ চেষ্টা করবো৷
তিনি আরও বলেন, আমরা জেলার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত রয়েছি। এখন পর্যন্ত জেলায় কোন ধরনের চাঁদাবাজি কিংবা সহিংসতার ঘটনা নজরে আসেনি। ঈদকে ঘিরে আমরা বিভিন্ন জায়গায় টহল অব্যাহত রেখেছি। আমাদের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তৎপর রয়েছে। যারা চাকরির জন্য জেলার বাহিরে অবস্থান করে ঈদে জেলায় আসবে তাদের নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে আমরা সহায়তা করবো। ঈদের সময়ে পুলিশ নিজে ছুটিতে না গিয়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। পুলিশ সবসময় সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিয়ে সহায়তা করবে।
এসময়ে নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন