যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় ফসলি জমির মাটি রক্ষা এবং পরিবেশ বিপর্যয় রোধে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে দুই ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদানের মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।আজ সোমবার (২ মার্চ, ২০২৬) বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভূপালী সরকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র রায়পুর গ্রামের ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে আসছিল। এতে একদিকে যেমন আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছিল, অন্যদিকে ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে।অভিযান চলাকালে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে মেহেদী সরদার ও দাউদ হোসেন নামের দুই ব্যক্তিকে হাতে-নাতে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাঁদের ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এই অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাঁদের প্রত্যেককে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
অভিযান পরিচালনাকালে বাঘারপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার এবং বাঘারপাড়া থানার একটি চৌকস পুলিশ দল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভূপালী সরকার অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "কৃষি জমির মাটি কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। আমাদের সুনির্দিষ্ট তথ্য ছিল যে, একটি চক্র রায়পুর গ্রামে ফসলি জমি ধ্বংস করে মাটি বিক্রি করছিল।আমরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাঁদের শাস্তির আওতায় এনেছি।
"তিনি আরও হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "ফসলি জমি রক্ষায় এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের ছাড় দেওয়া হবে না।"স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এই দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় ফসলি জমির মাটি রক্ষা এবং পরিবেশ বিপর্যয় রোধে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে দুই ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদানের মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।আজ সোমবার (২ মার্চ, ২০২৬) বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভূপালী সরকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র রায়পুর গ্রামের ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে আসছিল। এতে একদিকে যেমন আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছিল, অন্যদিকে ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে।অভিযান চলাকালে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে মেহেদী সরদার ও দাউদ হোসেন নামের দুই ব্যক্তিকে হাতে-নাতে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাঁদের ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এই অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাঁদের প্রত্যেককে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
অভিযান পরিচালনাকালে বাঘারপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার এবং বাঘারপাড়া থানার একটি চৌকস পুলিশ দল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভূপালী সরকার অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "কৃষি জমির মাটি কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। আমাদের সুনির্দিষ্ট তথ্য ছিল যে, একটি চক্র রায়পুর গ্রামে ফসলি জমি ধ্বংস করে মাটি বিক্রি করছিল।আমরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাঁদের শাস্তির আওতায় এনেছি।
"তিনি আরও হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "ফসলি জমি রক্ষায় এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের ছাড় দেওয়া হবে না।"স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এই দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন