প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ১৪৪ ধারা জারিকৃত বালু মহালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ‘বালু সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত শহিদুজ্জামান ওরফে কাকন মেম্বারকে নগদ দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা এবং কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।আজ রবিবার সৈয়দ মাহমুদপুর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভূপালী সরকার। অভিযান চলাকালে বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত ভারী সরঞ্জাম ও যানবাহন জব্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সৈয়দ মাহমুদপুর এলাকার নদী ও ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি শহিদুজ্জামান ওরফে কাকন মেম্বার প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখেন।
কাকন মেম্বারের এই বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে আজ সকালে গ্রামবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে বালু উত্তোলনের স্থানে বাধা প্রদান করেন এবং তীব্র প্রতিবাদ জানান। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভূপালী সরকার পুলিশ বাহিনী নিয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ইউএনও ভূপালী সরকার অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে শহিদুজ্জামান ওরফে কাকন মেম্বারকে নগদ ১,৫০,০০০ (দেড় লক্ষ) টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও, অভিযানে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত শক্তিশালী ড্রেজার মেশিন ও পরিবহন কাজে ব্যবহৃত যানবাহনসমূহ জব্দ করা হয়েছে।
অভিযান শেষে ইউএনও ভূপালী সরকার বলেন, "সরকারি আদেশ অমান্য করে পরিবেশ ধ্বংসকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যারা আইন অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।"স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, আজকের এই কঠোর অভিযান অবৈধ বালু খেকোদের দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ১৪৪ ধারা জারিকৃত বালু মহালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ‘বালু সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত শহিদুজ্জামান ওরফে কাকন মেম্বারকে নগদ দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা এবং কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।আজ রবিবার সৈয়দ মাহমুদপুর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভূপালী সরকার। অভিযান চলাকালে বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত ভারী সরঞ্জাম ও যানবাহন জব্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সৈয়দ মাহমুদপুর এলাকার নদী ও ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি শহিদুজ্জামান ওরফে কাকন মেম্বার প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখেন।
কাকন মেম্বারের এই বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে আজ সকালে গ্রামবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে বালু উত্তোলনের স্থানে বাধা প্রদান করেন এবং তীব্র প্রতিবাদ জানান। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভূপালী সরকার পুলিশ বাহিনী নিয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ইউএনও ভূপালী সরকার অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে শহিদুজ্জামান ওরফে কাকন মেম্বারকে নগদ ১,৫০,০০০ (দেড় লক্ষ) টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও, অভিযানে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত শক্তিশালী ড্রেজার মেশিন ও পরিবহন কাজে ব্যবহৃত যানবাহনসমূহ জব্দ করা হয়েছে।
অভিযান শেষে ইউএনও ভূপালী সরকার বলেন, "সরকারি আদেশ অমান্য করে পরিবেশ ধ্বংসকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যারা আইন অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।"স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, আজকের এই কঠোর অভিযান অবৈধ বালু খেকোদের দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন