শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঢাকা
আজকের দেশ বাংলা

স্বপ্ন পূরণের পথে যশোর: কঠোর নিরাপত্তায় নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন



স্বপ্ন পূরণের পথে যশোর: কঠোর নিরাপত্তায় নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন
প্রতিনিধি

যশোরের নার্সিং অঙ্গনে আজ এক নতুন স্বপ্নের বীজ বপন করা হলো। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কোর্সে ভর্তির জন্য আয়োজিত দেশব্যাপী পরীক্ষার অংশ হিসেবে যশোরেও একযোগে সম্পন্ন হয়েছে এই পরীক্ষা। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই যশোর মেডিকেল কলেজ ও যশোর সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়।

যশোরের দুটি ভেন্যুতে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চলা এই পরীক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে মোবাইল কোর্ট ও পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। কঠোর তদারকির ফলে পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের চোখে ছিল সফলতার স্বপ্ন। আর অভিভাবকদের কণ্ঠে ছিল মানবসেবার অনন্য উদাহরণ। এক অভিভাবক আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, "আমার সন্তান শুধু নার্স নয়, একজন সেবক হিসেবে মানুষের কষ্ট লাঘবে কাজ করবে—এই স্বপ্নই আমরা দেখি। পড়াশোনা শেষ করে সে যেন আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে, এটাই আমাদের কামনা।"

অভিভাবকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এবারকার ভর্তি পরীক্ষায় মেধার সঠিক মূল্যায়ন হবে। চূড়ান্ত ফলাফলে যেন প্রকৃত যোগ্যরাই স্থান পায়, সে ব্যাপারে প্রশাসনের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।যশোর কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়া শিক্ষার্থীরা হাসি মুখে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরেছেন, বুকে লালন করছেন আর্তমানবতার সেবায় আত্মনিবেদিত হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়।

আপনার মতামত লিখুন

আজকের দেশ বাংলা

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


স্বপ্ন পূরণের পথে যশোর: কঠোর নিরাপত্তায় নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

যশোরের নার্সিং অঙ্গনে আজ এক নতুন স্বপ্নের বীজ বপন করা হলো। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কোর্সে ভর্তির জন্য আয়োজিত দেশব্যাপী পরীক্ষার অংশ হিসেবে যশোরেও একযোগে সম্পন্ন হয়েছে এই পরীক্ষা। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই যশোর মেডিকেল কলেজ ও যশোর সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়।

যশোরের দুটি ভেন্যুতে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চলা এই পরীক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে মোবাইল কোর্ট ও পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। কঠোর তদারকির ফলে পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের চোখে ছিল সফলতার স্বপ্ন। আর অভিভাবকদের কণ্ঠে ছিল মানবসেবার অনন্য উদাহরণ। এক অভিভাবক আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, "আমার সন্তান শুধু নার্স নয়, একজন সেবক হিসেবে মানুষের কষ্ট লাঘবে কাজ করবে—এই স্বপ্নই আমরা দেখি। পড়াশোনা শেষ করে সে যেন আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে, এটাই আমাদের কামনা।"

অভিভাবকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এবারকার ভর্তি পরীক্ষায় মেধার সঠিক মূল্যায়ন হবে। চূড়ান্ত ফলাফলে যেন প্রকৃত যোগ্যরাই স্থান পায়, সে ব্যাপারে প্রশাসনের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।যশোর কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়া শিক্ষার্থীরা হাসি মুখে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরেছেন, বুকে লালন করছেন আর্তমানবতার সেবায় আত্মনিবেদিত হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়।


আজকের দেশ বাংলা

সম্পাদক
মো: নাজমুল হাসান (নাজিম)
মোবাইল: ০১৮২৭৭৫৪৬৩৫

কপিরাইট © ২০২৬ আজকের দেশ বাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত