যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর বাজারে সার ও কীটনাশকের দোকানে বিশেষ তদারকি অভিযান চালিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইয়েদা নাসরিন জাহান। বৃহস্পতিবার বিকেলে পরিচালিত এই অভিযানে একটি দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক জব্দসহ অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে রায়পুর বাজারের ‘শ্রীমন্ত ভান্ডার’ নামক প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালিয়ে ৯টি ক্যাটাগরির মোট ৩ হাজার ৫০ মিলিলিটার মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক উদ্ধার করা হয়। কৃষকের ফসলের জন্য ক্ষতিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ এই বিষগুলো তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করেন কৃষি কর্মকর্তা। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে মৌখিক সতর্ক করা হলেও শীঘ্রই লিখিত কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
অভিযান শেষে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে কৃষি কর্মকর্তা সাইয়েদা নাসরিন জাহান নিম্নলিখিত নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে পালনের নির্দেশ দেন: সারের দাম কোনোভাবেই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি নেওয়া যাবে না। দোকানের সামনে সুস্পষ্টভাবে পণ্যের মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে। প্রতিটি বিক্রির জন্য ক্যাশমেমো প্রদান এবং নিয়মিত বিক্রয় রেজিস্টার হালনাগাদ রাখতে হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিম্নমানের কোনো কীটনাশক দোকানে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নির্দেশনা অমান্য করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকরা যেন প্রতারিত না হয় এবং সঠিক মূল্যে সার-কীটনাশক পায়, সেজন্য উপজেলা জুড়ে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।অভিযানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা উজ্জ্বল কান্তি মাল্লিক এবং রায়পুর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান প্রমুখ।

শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর বাজারে সার ও কীটনাশকের দোকানে বিশেষ তদারকি অভিযান চালিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইয়েদা নাসরিন জাহান। বৃহস্পতিবার বিকেলে পরিচালিত এই অভিযানে একটি দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক জব্দসহ অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে রায়পুর বাজারের ‘শ্রীমন্ত ভান্ডার’ নামক প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালিয়ে ৯টি ক্যাটাগরির মোট ৩ হাজার ৫০ মিলিলিটার মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক উদ্ধার করা হয়। কৃষকের ফসলের জন্য ক্ষতিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ এই বিষগুলো তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করেন কৃষি কর্মকর্তা। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে মৌখিক সতর্ক করা হলেও শীঘ্রই লিখিত কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
অভিযান শেষে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে কৃষি কর্মকর্তা সাইয়েদা নাসরিন জাহান নিম্নলিখিত নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে পালনের নির্দেশ দেন: সারের দাম কোনোভাবেই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি নেওয়া যাবে না। দোকানের সামনে সুস্পষ্টভাবে পণ্যের মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে। প্রতিটি বিক্রির জন্য ক্যাশমেমো প্রদান এবং নিয়মিত বিক্রয় রেজিস্টার হালনাগাদ রাখতে হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিম্নমানের কোনো কীটনাশক দোকানে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নির্দেশনা অমান্য করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকরা যেন প্রতারিত না হয় এবং সঠিক মূল্যে সার-কীটনাশক পায়, সেজন্য উপজেলা জুড়ে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।অভিযানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা উজ্জ্বল কান্তি মাল্লিক এবং রায়পুর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন