পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আওতাধীন সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থানে শুস্ক মৌসুমে আগুন লাগার সম্ভাবনা বেশি থাকার কারনে সতর্কীকরণে মাইকিংয়ের মাধ্যমে মানুষকে সচেতনতা করেছেন। সুন্দরবনের নাংলী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আবু মুসার নেতৃত্বে শুস্ক মৌসুমে যাতে আগুন না লাগে তার জন্য সচেতনতার মাইকিং পরিচালনা করা হয়।
বন বিভাগের সদস্যরা জানান তাদের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরীর নির্দেশে এই মাইকিং পরিচালনা করে যাচ্ছেন যাতে সুন্দরবনের পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত মানুষেরা সুন্দরবনের আগুন লাগা থেকে সব সময় সতর্ক অবস্থায় থাকে। সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। সুন্দরবন জীববৈচিত্রের আঁধার বছরের শুষ্ক মৌসুমের সুন্দরবনে আগুন লাগার সম্ভাবনা অধিক থাকে।
সুন্দরবনে এখন পর্যন্ত ৩৭ বার আগুন লেগে অন্তত ২০ কিলোমিটার জুড়ে বনের বিরল প্রজাতির গাছ প্রাণী ধংস ও উজাড় হয়েছে। যার সব কটিই পূর্ব সুন্দরবন এলাকায় এবং লোকালয়-সংলগ্ন ভোলা নদীর পাশের চাঁদপাই ও শরণখোলা রেঞ্জের বনাঞ্চলে। বিশেষ করে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আওতাধীন ধানসাগর, নাংলী, কলমতেজী, গুলশাখালী, আমারবুনিয়া, জিউধারা, বরইতলা, কাটাখালি,বৈদ্যমারি,জয়মনি ইত্যাদি স্থানসহ স্পর্শকাতর এলাকা সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গবাদিপশু প্রবেশ সম্পুর্ন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানিয়েছেন বন বিভাগ।
তাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে শুষ্ক মৌসুমে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রবেশকারী সকল জেলে বাওয়ালী, মৌয়ালী,দর্শনার্থীগন,বিড়ি সিগারেট ও মশাল অন্যান্য দাহ্য পদার্থ নিয়ে বনে প্রবেশ ও ব্যবহার সম্পুর্ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আওতাধীন সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থানে শুস্ক মৌসুমে আগুন লাগার সম্ভাবনা বেশি থাকার কারনে সতর্কীকরণে মাইকিংয়ের মাধ্যমে মানুষকে সচেতনতা করেছেন। সুন্দরবনের নাংলী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আবু মুসার নেতৃত্বে শুস্ক মৌসুমে যাতে আগুন না লাগে তার জন্য সচেতনতার মাইকিং পরিচালনা করা হয়।
বন বিভাগের সদস্যরা জানান তাদের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরীর নির্দেশে এই মাইকিং পরিচালনা করে যাচ্ছেন যাতে সুন্দরবনের পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত মানুষেরা সুন্দরবনের আগুন লাগা থেকে সব সময় সতর্ক অবস্থায় থাকে। সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। সুন্দরবন জীববৈচিত্রের আঁধার বছরের শুষ্ক মৌসুমের সুন্দরবনে আগুন লাগার সম্ভাবনা অধিক থাকে।
সুন্দরবনে এখন পর্যন্ত ৩৭ বার আগুন লেগে অন্তত ২০ কিলোমিটার জুড়ে বনের বিরল প্রজাতির গাছ প্রাণী ধংস ও উজাড় হয়েছে। যার সব কটিই পূর্ব সুন্দরবন এলাকায় এবং লোকালয়-সংলগ্ন ভোলা নদীর পাশের চাঁদপাই ও শরণখোলা রেঞ্জের বনাঞ্চলে। বিশেষ করে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আওতাধীন ধানসাগর, নাংলী, কলমতেজী, গুলশাখালী, আমারবুনিয়া, জিউধারা, বরইতলা, কাটাখালি,বৈদ্যমারি,জয়মনি ইত্যাদি স্থানসহ স্পর্শকাতর এলাকা সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গবাদিপশু প্রবেশ সম্পুর্ন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানিয়েছেন বন বিভাগ।
তাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে শুষ্ক মৌসুমে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রবেশকারী সকল জেলে বাওয়ালী, মৌয়ালী,দর্শনার্থীগন,বিড়ি সিগারেট ও মশাল অন্যান্য দাহ্য পদার্থ নিয়ে বনে প্রবেশ ও ব্যবহার সম্পুর্ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন