যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় দোহাকুলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাহাবার হোসেন ও ছাত্রদল নেতা রিয়াদের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। এই হামলার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।বুধবার দুপুরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও বিএনপির উদ্যোগে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বেলা ১২টার দিকে মিছিলটি বাঘারপাড়া উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে পরিকল্পিতভাবে সাহাবার হোসেন ও রিয়াদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং বিরোধী নেতাকর্মীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়াতে এই ন্যাক্কারজনক পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা না হয়, তবে বাঘারপাড়ায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।"
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকির হোসেন সুহুদ ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম খোকনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। নেতারা বলেন, ধারাবাহিকভাবে নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চললেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
বিক্ষোভ ও সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল আলিম বিশ্বাস, যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান, আব্দুল আলিম ও খালিদ হাসান তুষার। এছাড়াও জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মেফতাহ উদ্দিন শিকদার, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব হৃদয় তারেখ, সাবেক যুবনেতা সেলিম রেজা এবং উপজেলা বিএনপির সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আতাউর রহমানসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশ নেন।সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সমাপ্ত করলেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে উপজেলা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
বিষয় : বিএনপি

বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় দোহাকুলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাহাবার হোসেন ও ছাত্রদল নেতা রিয়াদের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। এই হামলার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।বুধবার দুপুরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও বিএনপির উদ্যোগে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বেলা ১২টার দিকে মিছিলটি বাঘারপাড়া উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে পরিকল্পিতভাবে সাহাবার হোসেন ও রিয়াদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং বিরোধী নেতাকর্মীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়াতে এই ন্যাক্কারজনক পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা না হয়, তবে বাঘারপাড়ায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।"
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকির হোসেন সুহুদ ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম খোকনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। নেতারা বলেন, ধারাবাহিকভাবে নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চললেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
বিক্ষোভ ও সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল আলিম বিশ্বাস, যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান, আব্দুল আলিম ও খালিদ হাসান তুষার। এছাড়াও জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মেফতাহ উদ্দিন শিকদার, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব হৃদয় তারেখ, সাবেক যুবনেতা সেলিম রেজা এবং উপজেলা বিএনপির সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আতাউর রহমানসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশ নেন।সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সমাপ্ত করলেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে উপজেলা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন