পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মুসল্লিদের সুবিধায় মক্কার মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে মোবাইল ফোন চার্জিং স্টেশন স্থাপন করেছে কর্তৃপক্ষ। এখন ইবাদতে ব্যস্ত থাকার সময়ও নিরাপদে ফোন চার্জ দিতে পারবেন হাজ্বী ও ওমরাহ যাত্রীরা।
রমজান জুড়ে লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে মুখর থাকে পবিত্র এ মসজিদ। মুসল্লিদের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে চার্জিং লকারভিত্তিক নতুন এই সেবা চালু করেছে হারামাইন শরিফাইন কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত লকারে মোবাইল রেখে সেটি বন্ধ করে চাবি সঙ্গে নিয়ে ইবাদতে যেতে পারবেন ব্যবহারকারী। সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট পর্যন্ত চার্জ দেওয়া যাবে। নামাজ, তাওয়াফ বা ওমরাহর আচার-অনুষ্ঠানের একটি অংশ সম্পন্ন করার জন্য এ সময়টুকু যথেষ্ট বলেই নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে এসে নিজ নিজ চাবি ব্যবহার করে ফোন সংগ্রহ করতে হবে।
চার্জিং স্টেশনগুলো মসজিদুল হারামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়েছে, যেন সহজেই সেবাটি নিতে পারেন মুসল্লিরা। চাবিভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারী ছাড়া অন্য কেউ লকার খুলতে পারবেন না।
কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন আধুনিক সেবা যুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বৈদ্যুতিক কার্ট, শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র, বহুভাষিক দিকনির্দেশনা সেবা এবং নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে নেভিগেশন ও বুকিং সুবিধা। রমজানে ইবাদতে আগত মুসল্লিদের জন্য এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মুসল্লিদের সুবিধায় মক্কার মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে মোবাইল ফোন চার্জিং স্টেশন স্থাপন করেছে কর্তৃপক্ষ। এখন ইবাদতে ব্যস্ত থাকার সময়ও নিরাপদে ফোন চার্জ দিতে পারবেন হাজ্বী ও ওমরাহ যাত্রীরা।
রমজান জুড়ে লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে মুখর থাকে পবিত্র এ মসজিদ। মুসল্লিদের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে চার্জিং লকারভিত্তিক নতুন এই সেবা চালু করেছে হারামাইন শরিফাইন কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত লকারে মোবাইল রেখে সেটি বন্ধ করে চাবি সঙ্গে নিয়ে ইবাদতে যেতে পারবেন ব্যবহারকারী। সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট পর্যন্ত চার্জ দেওয়া যাবে। নামাজ, তাওয়াফ বা ওমরাহর আচার-অনুষ্ঠানের একটি অংশ সম্পন্ন করার জন্য এ সময়টুকু যথেষ্ট বলেই নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে এসে নিজ নিজ চাবি ব্যবহার করে ফোন সংগ্রহ করতে হবে।
চার্জিং স্টেশনগুলো মসজিদুল হারামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়েছে, যেন সহজেই সেবাটি নিতে পারেন মুসল্লিরা। চাবিভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারী ছাড়া অন্য কেউ লকার খুলতে পারবেন না।
কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন আধুনিক সেবা যুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বৈদ্যুতিক কার্ট, শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র, বহুভাষিক দিকনির্দেশনা সেবা এবং নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে নেভিগেশন ও বুকিং সুবিধা। রমজানে ইবাদতে আগত মুসল্লিদের জন্য এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন