যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় আবারো অনুভূত হয়েছে মাঝারি ধরনের তীব্র ভূমিকম্প। আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। হঠাৎ মাটি কেঁপে ওঠায় যশোর শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বহুতল ভবনগুলোতে থাকা মানুষ ভয়ে হুড়মুড় করে ঘর ও অফিস থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। অনেকেই আতঙ্কে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানিয়েছেন, রিখটার স্কেলে আজকের এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৪। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা সীমান্ত সংলগ্ন ভারত এলাকায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট ৮ সেকেন্ডে এই কম্পন অনুভূত হয়।
যশোরে কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হওয়ায় স্থানীয়বাসিন্দারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। জেলার যশোর সদর, শার্শা, মনিরামপুর, কেশবপুর, ঝিকরগাছা, চৌগাছা, বাঘারপাড়া এবং অভয়নগর—এই আটটি উপজেলাতেই ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে শহরের অনেক বহুতল ভবনে ফাটল ধরেছে কি না, তা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারা।
চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৬ দিনেই অন্তত ৮ বার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে দেশে। আজকের এই ভূমিকম্পটি ফেব্রুয়ারি মাসের সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পনগুলোর একটি। এর আগে গত বুধবার রাতে মিয়ানমারে সৃষ্ট ৫.১ মাত্রার একটি মাঝারি ভূমিকম্পে যশোরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে উঠেছিল।
পরপর এমন ঘনঘন ভূকম্পন দেশের ভূতাত্ত্বিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করছেন যে, একের পর এক ছোট ও মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকার এবং বহুতল ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড মানার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় আবারো অনুভূত হয়েছে মাঝারি ধরনের তীব্র ভূমিকম্প। আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। হঠাৎ মাটি কেঁপে ওঠায় যশোর শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বহুতল ভবনগুলোতে থাকা মানুষ ভয়ে হুড়মুড় করে ঘর ও অফিস থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। অনেকেই আতঙ্কে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানিয়েছেন, রিখটার স্কেলে আজকের এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৪। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা সীমান্ত সংলগ্ন ভারত এলাকায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট ৮ সেকেন্ডে এই কম্পন অনুভূত হয়।
যশোরে কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হওয়ায় স্থানীয়বাসিন্দারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। জেলার যশোর সদর, শার্শা, মনিরামপুর, কেশবপুর, ঝিকরগাছা, চৌগাছা, বাঘারপাড়া এবং অভয়নগর—এই আটটি উপজেলাতেই ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে শহরের অনেক বহুতল ভবনে ফাটল ধরেছে কি না, তা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারা।
চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৬ দিনেই অন্তত ৮ বার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে দেশে। আজকের এই ভূমিকম্পটি ফেব্রুয়ারি মাসের সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পনগুলোর একটি। এর আগে গত বুধবার রাতে মিয়ানমারে সৃষ্ট ৫.১ মাত্রার একটি মাঝারি ভূমিকম্পে যশোরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে উঠেছিল।
পরপর এমন ঘনঘন ভূকম্পন দেশের ভূতাত্ত্বিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করছেন যে, একের পর এক ছোট ও মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকার এবং বহুতল ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড মানার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন