ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের সাভার-আশুলিয়া অংশে দীর্ঘদিনের দখলদারিত্ব, যানজট এবং চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ঢাকা-১৯ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মহাসড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সাভার বাসস্ট্যান্ড, হেমায়েতপুর, নবীনগর ও বাইপাইল এলাকায় মহাসড়কের দুই পাশ দখল করে গড়ে উঠেছে কয়েক হাজার অবৈধ দোকানপাট। ফুটপাত ছাপিয়ে মূল সড়কের একাংশ দখল করে বসানো হয়েছে কাঁচাবাজার ও হকারদের পসরা। এর ফলে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট, যা সাভার ও আশুলিয়ার সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এক বিবৃতিতে জানান, মহাসড়কের এই বিশৃঙ্খলার পেছনে যারা জড়িত এবং যারা সাধারণ মানুষের পকেট কেটে চাঁদাবাজি করছে, তাদের দ্রুত খুঁজে বের করা হবে। তিনি বলেন, "সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে হবে। যারা মহাসড়কের দখলদারিত্ব এবং চাঁদাবাজির সাথে জড়িত, তাদের অতি দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।"
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট মহাসড়কের ওপর অবৈধ স্ট্যান্ড ও দোকান বসিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে। এই চাঁদাবাজির কারণেই উচ্ছেদ অভিযানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার দখলদাররা ফিরে আসে। সংসদ সদস্যের এই অনড় অবস্থানের ফলে এই সিন্ডিকেটগুলো এখন আতঙ্কে রয়েছে।
এমপি সালাউদ্দিনের এই নির্দেশের পর নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন ও হাইওয়ে পুলিশ। সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে যানজট নিরসনে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন এবং অবৈধ দখলদারদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে প্রাথমিক সতর্কবার্তা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।সাভারের সচেতন নাগরিক সমাজ সংসদ সদস্যের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং প্রশাসনের কঠোর তদারকির মাধ্যমে সাভার-আশুলিয়া এলাকা দ্রুতই যানজট ও চাঁদাবাজমুক্ত হবে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের সাভার-আশুলিয়া অংশে দীর্ঘদিনের দখলদারিত্ব, যানজট এবং চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ঢাকা-১৯ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মহাসড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সাভার বাসস্ট্যান্ড, হেমায়েতপুর, নবীনগর ও বাইপাইল এলাকায় মহাসড়কের দুই পাশ দখল করে গড়ে উঠেছে কয়েক হাজার অবৈধ দোকানপাট। ফুটপাত ছাপিয়ে মূল সড়কের একাংশ দখল করে বসানো হয়েছে কাঁচাবাজার ও হকারদের পসরা। এর ফলে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট, যা সাভার ও আশুলিয়ার সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এক বিবৃতিতে জানান, মহাসড়কের এই বিশৃঙ্খলার পেছনে যারা জড়িত এবং যারা সাধারণ মানুষের পকেট কেটে চাঁদাবাজি করছে, তাদের দ্রুত খুঁজে বের করা হবে। তিনি বলেন, "সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে হবে। যারা মহাসড়কের দখলদারিত্ব এবং চাঁদাবাজির সাথে জড়িত, তাদের অতি দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।"
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট মহাসড়কের ওপর অবৈধ স্ট্যান্ড ও দোকান বসিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে। এই চাঁদাবাজির কারণেই উচ্ছেদ অভিযানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার দখলদাররা ফিরে আসে। সংসদ সদস্যের এই অনড় অবস্থানের ফলে এই সিন্ডিকেটগুলো এখন আতঙ্কে রয়েছে।
এমপি সালাউদ্দিনের এই নির্দেশের পর নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন ও হাইওয়ে পুলিশ। সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে যানজট নিরসনে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন এবং অবৈধ দখলদারদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে প্রাথমিক সতর্কবার্তা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।সাভারের সচেতন নাগরিক সমাজ সংসদ সদস্যের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং প্রশাসনের কঠোর তদারকির মাধ্যমে সাভার-আশুলিয়া এলাকা দ্রুতই যানজট ও চাঁদাবাজমুক্ত হবে।

আপনার মতামত লিখুন