ভোর সাড়ে ৬টা। কাকডাকা ভোরেই বাঘারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এক ব্যতিক্রমী জনসমাগম। তবে এটি কোনো রাজনৈতিক মিছিল নয়, বরং নিজের নির্বাচনী এলাকাকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার এক প্রত্যয়ী অভিযাত্রা। ঝাড়ু হাতে রাস্তায় নেমে ‘গ্রীন ক্লিন’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন যশোর-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির গোলাম রসুল।
বুধবার সকালে এই কর্মসূচির সূচনা করে এমপি গোলাম রসুল স্পষ্ট বার্তা দেন—উন্নয়ন হবে বৈষম্যহীন আর জনপদ হবে চাঁদাবাজিমুক্ত। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "টোলের নামে সব ধরনের চাঁদাবাজি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে গ্রাম ও শহরের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ রাখা হবে না।"
কর্মসূচির মূল লক্ষ্যসমূহ: যত্রতত্র ময়লা ফেলার অভ্যাস ত্যাগ করে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করা। আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। এই কর্মসূচিকে কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়া।
এমপি গোলাম রসুল তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, একটি আধুনিক ও আদর্শ নির্বাচনী এলাকা গঠন কেবল প্রশাসনের একার কাজ নয়; বরং নাগরিকদের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকাই পারে যশোর-৪ আসনকে একটি ‘গ্রীন ও ক্লিন’ মডেল জনপদে রূপান্তর করতে।অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, পৌর আমির মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আ. জাব্বার, পৌর সেক্রেটারি আ. হক এবং সাবেক কাউন্সিলর মোস্তাক আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কর্মসূচি কেবল পৌর শহরে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ‘গ্রীন ক্লিন’ কার্যক্রমের বিস্তার ঘটানো হবে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক প্রচার চালানো হবে।নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার পরপরই জনকল্যাণমূলক এবং পরিবেশবান্ধব এমন সরাসরি কর্মসূচি এলাকায় ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোর সাড়ে ৬টা। কাকডাকা ভোরেই বাঘারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এক ব্যতিক্রমী জনসমাগম। তবে এটি কোনো রাজনৈতিক মিছিল নয়, বরং নিজের নির্বাচনী এলাকাকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার এক প্রত্যয়ী অভিযাত্রা। ঝাড়ু হাতে রাস্তায় নেমে ‘গ্রীন ক্লিন’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন যশোর-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির গোলাম রসুল।
বুধবার সকালে এই কর্মসূচির সূচনা করে এমপি গোলাম রসুল স্পষ্ট বার্তা দেন—উন্নয়ন হবে বৈষম্যহীন আর জনপদ হবে চাঁদাবাজিমুক্ত। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "টোলের নামে সব ধরনের চাঁদাবাজি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে গ্রাম ও শহরের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ রাখা হবে না।"
কর্মসূচির মূল লক্ষ্যসমূহ: যত্রতত্র ময়লা ফেলার অভ্যাস ত্যাগ করে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করা। আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। এই কর্মসূচিকে কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়া।
এমপি গোলাম রসুল তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, একটি আধুনিক ও আদর্শ নির্বাচনী এলাকা গঠন কেবল প্রশাসনের একার কাজ নয়; বরং নাগরিকদের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকাই পারে যশোর-৪ আসনকে একটি ‘গ্রীন ও ক্লিন’ মডেল জনপদে রূপান্তর করতে।অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, পৌর আমির মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আ. জাব্বার, পৌর সেক্রেটারি আ. হক এবং সাবেক কাউন্সিলর মোস্তাক আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কর্মসূচি কেবল পৌর শহরে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ‘গ্রীন ক্লিন’ কার্যক্রমের বিস্তার ঘটানো হবে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক প্রচার চালানো হবে।নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার পরপরই জনকল্যাণমূলক এবং পরিবেশবান্ধব এমন সরাসরি কর্মসূচি এলাকায় ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

আপনার মতামত লিখুন