খেলার ছলে মিষ্টির প্রলোভন যে এত বড় কাল হয়ে দাঁড়াবে, তা ভাবতেও পারেনি ছোট্ট জান্নাতুল মাওয়া। যশোরের বাঘারপাড়ার খলশী গ্রামে এক ৫ বছরের শিশুকে হাত-পা বেঁধে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় এলাকায় বইছে শোক ও ক্ষোভের মাতম। বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে শিশুটি লড়ছে যশোর জেনারেল হাসপাতালের বিছানায়।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের তপ্ত রোদে যখন গ্রামটি কিছুটা শান্ত, তখনই ঘটে এই বর্বরোচিত ঘটনা। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ৫ বছর ৬ মাস বয়সী শিশু জান্নাতুলকে একা পেয়ে প্রলুব্ধ করে একই গ্রামের শিহাব (১৮), যে কিনা ওই গ্রামেরই আহাদ আলীর ছেলে। মিষ্টি খাওয়ানোর মিথ্যা আশ্বাসে সে শিশুটিকে নিয়ে যায় পাশেই আব্দুল হাই মাস্টারের একটি নির্জন বাগানে।
অভিযোগে জানা যায়, জনমানবহীন ওই বাগানে নিয়ে জান্নাতুলের মুখ টেপ দিয়ে পেঁচিয়ে দেয় শিহাব, যেন তার আর্তচিৎকার কারও কানে না পৌঁছায়। এরপর হাত-পা বেঁধে তার ওপর চালানো হয় মধ্যযুগীয় কায়দায় পাশবিক নির্যাতন। ৫ বছরের এক শিশুর ওপর এমন সহিংসতা স্তম্ভিত করেছে খোদ চিকিৎসকদেরও।
ঘটনার পর জান্নাতুলের শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বুধবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও শারীরিক আঘাতের কারণে শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। বর্তমানে সে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
জান্নাতুলের বাবা জাহাঙ্গীর আলমের কণ্ঠ এখন রুদ্ধ।পরিবারের দাবি, একজন ১৮ বছর বয়সী তরুণ কীভাবে এমন জঘন্য কাজ করতে পারে তা ভাবনার বাইরে। তারা এই ঘটনার মূল হোতা শিহাবের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।বাঘারপাড়া থানা পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত শিহাবকে আইনের আওতায় আনতে এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
খেলার ছলে মিষ্টির প্রলোভন যে এত বড় কাল হয়ে দাঁড়াবে, তা ভাবতেও পারেনি ছোট্ট জান্নাতুল মাওয়া। যশোরের বাঘারপাড়ার খলশী গ্রামে এক ৫ বছরের শিশুকে হাত-পা বেঁধে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় এলাকায় বইছে শোক ও ক্ষোভের মাতম। বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে শিশুটি লড়ছে যশোর জেনারেল হাসপাতালের বিছানায়।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের তপ্ত রোদে যখন গ্রামটি কিছুটা শান্ত, তখনই ঘটে এই বর্বরোচিত ঘটনা। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ৫ বছর ৬ মাস বয়সী শিশু জান্নাতুলকে একা পেয়ে প্রলুব্ধ করে একই গ্রামের শিহাব (১৮), যে কিনা ওই গ্রামেরই আহাদ আলীর ছেলে। মিষ্টি খাওয়ানোর মিথ্যা আশ্বাসে সে শিশুটিকে নিয়ে যায় পাশেই আব্দুল হাই মাস্টারের একটি নির্জন বাগানে।
অভিযোগে জানা যায়, জনমানবহীন ওই বাগানে নিয়ে জান্নাতুলের মুখ টেপ দিয়ে পেঁচিয়ে দেয় শিহাব, যেন তার আর্তচিৎকার কারও কানে না পৌঁছায়। এরপর হাত-পা বেঁধে তার ওপর চালানো হয় মধ্যযুগীয় কায়দায় পাশবিক নির্যাতন। ৫ বছরের এক শিশুর ওপর এমন সহিংসতা স্তম্ভিত করেছে খোদ চিকিৎসকদেরও।
ঘটনার পর জান্নাতুলের শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বুধবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও শারীরিক আঘাতের কারণে শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। বর্তমানে সে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
জান্নাতুলের বাবা জাহাঙ্গীর আলমের কণ্ঠ এখন রুদ্ধ।পরিবারের দাবি, একজন ১৮ বছর বয়সী তরুণ কীভাবে এমন জঘন্য কাজ করতে পারে তা ভাবনার বাইরে। তারা এই ঘটনার মূল হোতা শিহাবের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।বাঘারপাড়া থানা পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত শিহাবকে আইনের আওতায় আনতে এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন