দেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা, মিল্লাত গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক সংসদ সদস্য জনাব মিয়া আবদুল্লাহ ওয়াজেদ (আব্দুল মিয়া) আর নেই। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বুধবার রাত ১:১৫ ঘটিকায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি সহধর্মিণী, ২ পুত্র, ৬ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশের শিল্প ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম:
মিয়া আবদুল্লাহ ওয়াজেদ ছিলেন একাধারে সফল ব্যবসায়ী ও জননন্দিত রাজনীতিবিদ। ১৯৬৮ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘মিল্লাত গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ’। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি দেশের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও সক্রিয় ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন তিনি এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষা বিস্তারে অবিস্মরণীয় অবদান রাখেন।
সম্মাননা ও সামাজিক অবদান:
ব্যবসায়িক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি রাষ্ট্রীয়ভাবে সিআইপি (CIP) মর্যাদা লাভ করেন। তিনি এফবিসিসিআই (FBCCI)-এর সদস্য এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (DCCI)-এর পরিচালক হিসেবে অত্যন্ত সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি শিক্ষার মান উন্নয়ন ও নকল প্রতিরোধ আন্দোলনের আহ্বায়ক হিসেবে দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হন।
জানাজা ও দাফন:
মরহুমের পরিবার জানিয়েছে, আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর দুপুর ১:৩০ ঘটিকায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কুটিতে। সেখানে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা, মিল্লাত গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক সংসদ সদস্য জনাব মিয়া আবদুল্লাহ ওয়াজেদ (আব্দুল মিয়া) আর নেই। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বুধবার রাত ১:১৫ ঘটিকায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি সহধর্মিণী, ২ পুত্র, ৬ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশের শিল্প ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম:
মিয়া আবদুল্লাহ ওয়াজেদ ছিলেন একাধারে সফল ব্যবসায়ী ও জননন্দিত রাজনীতিবিদ। ১৯৬৮ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘মিল্লাত গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ’। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি দেশের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও সক্রিয় ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন তিনি এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষা বিস্তারে অবিস্মরণীয় অবদান রাখেন।
সম্মাননা ও সামাজিক অবদান:
ব্যবসায়িক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি রাষ্ট্রীয়ভাবে সিআইপি (CIP) মর্যাদা লাভ করেন। তিনি এফবিসিসিআই (FBCCI)-এর সদস্য এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (DCCI)-এর পরিচালক হিসেবে অত্যন্ত সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি শিক্ষার মান উন্নয়ন ও নকল প্রতিরোধ আন্দোলনের আহ্বায়ক হিসেবে দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হন।
জানাজা ও দাফন:
মরহুমের পরিবার জানিয়েছে, আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর দুপুর ১:৩০ ঘটিকায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কুটিতে। সেখানে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন