যশোরের বাঘারপাড়ায় রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট চরম উত্তেজনা নিরসনে প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় শেষ হয়েছে। একই স্থানে বিএনপির দুই পক্ষ সমাবেশ ডাকায় বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কায় উপজেলা প্রশাসন এই কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাঘারপাড়া পৌরসভার স্বর্ণপট্টি মোড় থেকে চৌরাস্তাসহ সংলগ্ন এলাকায় বিএনপির দুটি বিবদমান পক্ষ একই সময়ে সমাবেশ ও কর্মসূচির ডাক দেয়। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকায় রণসাজে অবস্থান নেয় উভয় পক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার উপক্রম হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভুপালী সরকার জরুরি ভিত্তিতে ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন।
নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন স্বর্ণপট্টি মোড়, চৌরাস্তা, উপজেলা মোড় ও এর আশপাশে সব ধরনের গণজমায়েত, বিক্ষোভ মিছিল, সভা-সমাবেশ এবং মাইক ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শহরের কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভুপালী সরকার জানান, জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। বিকেল সাড়ে ৩টায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হয়েছে। প্রশাসনের কঠোর নজরদারির কারণে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি।বর্তমানে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হলেও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহল জোরদার রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষের চলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যশোরের বাঘারপাড়ায় রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট চরম উত্তেজনা নিরসনে প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় শেষ হয়েছে। একই স্থানে বিএনপির দুই পক্ষ সমাবেশ ডাকায় বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কায় উপজেলা প্রশাসন এই কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাঘারপাড়া পৌরসভার স্বর্ণপট্টি মোড় থেকে চৌরাস্তাসহ সংলগ্ন এলাকায় বিএনপির দুটি বিবদমান পক্ষ একই সময়ে সমাবেশ ও কর্মসূচির ডাক দেয়। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকায় রণসাজে অবস্থান নেয় উভয় পক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার উপক্রম হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভুপালী সরকার জরুরি ভিত্তিতে ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন।
নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন স্বর্ণপট্টি মোড়, চৌরাস্তা, উপজেলা মোড় ও এর আশপাশে সব ধরনের গণজমায়েত, বিক্ষোভ মিছিল, সভা-সমাবেশ এবং মাইক ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শহরের কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভুপালী সরকার জানান, জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। বিকেল সাড়ে ৩টায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হয়েছে। প্রশাসনের কঠোর নজরদারির কারণে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি।বর্তমানে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হলেও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহল জোরদার রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষের চলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন