গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার জঙ্গল মুকুন্দপুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে চার বছরের এক কন্যা সন্তান নিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করেছেন খাদিজা। এদিকে প্রেমিকার আগমনের খবর পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়েছেন অভিযুক্ত প্রেমিক সিজান খন্দকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জঙ্গল মুকুন্দপুর গ্রামের সিজান খন্দকারের সাথে খাদিজার ৮মাস এর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। খাদিজার চার বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সিজান ওই নারীর সাথে একাধিক বার শারিরীক সম্পর্ক করেছেন। এবং তিনি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। কোনো উপায় না পেয়ে সোমবার সকালে বিয়ের দাবিতে সিজানের বাড়িতে অবস্থান নেন খাদিজা।
অনশনরত খাদিজা গণমাধ্যমকে জানান, সিজান তাকে বিয়ের কথা বলে দীর্ঘ সময় ধরে সম্পর্ক রেখেছিলেন। কিন্তু এখন তিনি দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করছেন।
সিজান আমাকে বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। আমি সিজান চাই আমার সামনে না হয় আমি বিষ খেয়ে মারা যাবো। সিজান বিয়ে না করলে আমার আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। আমি আমার অধিকার ফিরে পেতে চাই।"
খাদিজা বাড়িতে ওঠার পরপরই অভিযুক্ত সিজান খন্দকার গা-ঢাকা দিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। পরিবারের অন্য সদস্যরাও এ বিষয়ে শুনে বাড়ি থেকে সরে গেছে । ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং উৎসুক জনতা সিজানের বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও গ্রাম্য মাতুব্বররা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার জঙ্গল মুকুন্দপুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে চার বছরের এক কন্যা সন্তান নিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করেছেন খাদিজা। এদিকে প্রেমিকার আগমনের খবর পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়েছেন অভিযুক্ত প্রেমিক সিজান খন্দকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জঙ্গল মুকুন্দপুর গ্রামের সিজান খন্দকারের সাথে খাদিজার ৮মাস এর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। খাদিজার চার বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সিজান ওই নারীর সাথে একাধিক বার শারিরীক সম্পর্ক করেছেন। এবং তিনি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। কোনো উপায় না পেয়ে সোমবার সকালে বিয়ের দাবিতে সিজানের বাড়িতে অবস্থান নেন খাদিজা।
অনশনরত খাদিজা গণমাধ্যমকে জানান, সিজান তাকে বিয়ের কথা বলে দীর্ঘ সময় ধরে সম্পর্ক রেখেছিলেন। কিন্তু এখন তিনি দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করছেন।
সিজান আমাকে বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। আমি সিজান চাই আমার সামনে না হয় আমি বিষ খেয়ে মারা যাবো। সিজান বিয়ে না করলে আমার আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। আমি আমার অধিকার ফিরে পেতে চাই।"
খাদিজা বাড়িতে ওঠার পরপরই অভিযুক্ত সিজান খন্দকার গা-ঢাকা দিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। পরিবারের অন্য সদস্যরাও এ বিষয়ে শুনে বাড়ি থেকে সরে গেছে । ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং উৎসুক জনতা সিজানের বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও গ্রাম্য মাতুব্বররা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে

আপনার মতামত লিখুন