নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের হামলায় বাবা-ছেলেসহ মোট চারজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার বড়কুলা গ্রামে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন— ওই এলাকার বাসিন্দা রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, এবং একই গ্রামের ওসি মিয়া ও ফেরদৌস হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়কুলা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোরে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হামলার একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশ দ্রুত বড়কুলা গ্রামে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ওলি মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের হামলায় বাবা-ছেলেসহ মোট চারজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার বড়কুলা গ্রামে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন— ওই এলাকার বাসিন্দা রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, এবং একই গ্রামের ওসি মিয়া ও ফেরদৌস হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়কুলা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোরে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হামলার একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশ দ্রুত বড়কুলা গ্রামে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ওলি মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন