যশোর সরকারি হাসপাতালের বহিঃবিভাগ থেকে রোগীদের উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের হাতেনাতে ধরা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—যশোর সদরের চাঁচড়া এলাকার আব্দুল মান্নান (৫০) এবং শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোড এলাকার সুমন (৪০)।প্রতারণার জাল ভুক্তভোগী যুবক রাকিব (২৪) মনিরামপুরের কাশিপুর গ্রাম থেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছিলেন। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত দুই দালাল রাকিবকে ভালো ডাক্তার ও দ্রুত পরীক্ষার কথা বলে কৌশলে শহরের 'ডাক্তার ল্যাব সেন্টার' নামক একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসার নামে তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণা করা হয়।
প্রতারণার শিকার হয়ে রাকিব পুলিশকে বিষয়টি জানালে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি টিম তাৎক্ষণিক হাসপাতাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় অভিযুক্ত মান্নান ও সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।বর্তমানে অভিযুক্তরা থানা হেফাজতে রয়েছে। হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নেওয়া ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যশোর সরকারি হাসপাতালের বহিঃবিভাগ থেকে রোগীদের উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের হাতেনাতে ধরা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—যশোর সদরের চাঁচড়া এলাকার আব্দুল মান্নান (৫০) এবং শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোড এলাকার সুমন (৪০)।প্রতারণার জাল ভুক্তভোগী যুবক রাকিব (২৪) মনিরামপুরের কাশিপুর গ্রাম থেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছিলেন। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত দুই দালাল রাকিবকে ভালো ডাক্তার ও দ্রুত পরীক্ষার কথা বলে কৌশলে শহরের 'ডাক্তার ল্যাব সেন্টার' নামক একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসার নামে তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণা করা হয়।
প্রতারণার শিকার হয়ে রাকিব পুলিশকে বিষয়টি জানালে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি টিম তাৎক্ষণিক হাসপাতাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় অভিযুক্ত মান্নান ও সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।বর্তমানে অভিযুক্তরা থানা হেফাজতে রয়েছে। হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নেওয়া ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন