বর্তমানে সুন্দরবনে সক্রিয় পাঁচটি বনদস্যু বাহিনীর সদস্যদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে। চিহ্নিত বনদস্যুদের ওপর স্পেশাল নজরদারি শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই সমন্বিত যৌথ বাহিনীর গ্রেফতার অভিযান কার্যকর করা হবে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালেই খুলনা বিভাগীয় কমিশনারসহ বন বিভাগ, র্যাব, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও নৌপুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি ) বিকেলে বাগেরহাটের হযরত খানজাহান (রহ.) মাজার জিয়ারতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী ডাঃ শেখ ফরিদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করেন, জীবিকার জন্য তারা সুন্দরবনে যান। সেখানে গিয়ে তারা বনদস্যুদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন। আমরা চাই না সুন্দরবনে গিয়ে সাধারণ মানুষ ঝুঁকির মধ্যে পড়ুক। তাই সুন্দরবনের সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার স্বার্থে এবার দৃশ্যমানভাবে দস্যুমুক্ত অভিযান পরিচালিত হবে। পাশাপাশি, বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী এ বনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, বনজ সম্পদ লুটপাট, জেলে ও বনজীবীদের বাধাগ্রস্ত করার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
সুন্দরবন দস্যুমুক্ত করতে অচিরেই যৌথ অভিযান শুরু হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর রহমান আলমসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বর্তমানে সুন্দরবনে সক্রিয় পাঁচটি বনদস্যু বাহিনীর সদস্যদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে। চিহ্নিত বনদস্যুদের ওপর স্পেশাল নজরদারি শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই সমন্বিত যৌথ বাহিনীর গ্রেফতার অভিযান কার্যকর করা হবে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালেই খুলনা বিভাগীয় কমিশনারসহ বন বিভাগ, র্যাব, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও নৌপুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি ) বিকেলে বাগেরহাটের হযরত খানজাহান (রহ.) মাজার জিয়ারতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী ডাঃ শেখ ফরিদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করেন, জীবিকার জন্য তারা সুন্দরবনে যান। সেখানে গিয়ে তারা বনদস্যুদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন। আমরা চাই না সুন্দরবনে গিয়ে সাধারণ মানুষ ঝুঁকির মধ্যে পড়ুক। তাই সুন্দরবনের সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার স্বার্থে এবার দৃশ্যমানভাবে দস্যুমুক্ত অভিযান পরিচালিত হবে। পাশাপাশি, বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী এ বনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, বনজ সম্পদ লুটপাট, জেলে ও বনজীবীদের বাধাগ্রস্ত করার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
সুন্দরবন দস্যুমুক্ত করতে অচিরেই যৌথ অভিযান শুরু হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর রহমান আলমসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন