অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজ প্রাঙ্গণ। শোক ও শ্রদ্ধার প্রতীক কালো ব্যাজ ধারণ করে হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা।
রাত ১২টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান।
প্রতিমন্ত্রীর পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক আশেক হাসান এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধা জানায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনসমূহ। প্রেসক্লাব যশোরসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একে একে শহীদ বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় উপস্থিত সকলের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয় একুশের সেই কালজয়ী গান— ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।’
রাত গড়িয়ে সকাল হতেই দৃশ্যপট আরও বিস্তৃত হয়। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খুদে শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ। হাতে ফুলের স্তবক আর হৃদয়ে বর্ণমালার টান নিয়ে সাধারণ মানুষের এই মিছিল দীর্ঘ হতে থাকে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজ প্রাঙ্গণ। শোক ও শ্রদ্ধার প্রতীক কালো ব্যাজ ধারণ করে হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা।
রাত ১২টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান।
প্রতিমন্ত্রীর পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক আশেক হাসান এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধা জানায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনসমূহ। প্রেসক্লাব যশোরসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একে একে শহীদ বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় উপস্থিত সকলের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয় একুশের সেই কালজয়ী গান— ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।’
রাত গড়িয়ে সকাল হতেই দৃশ্যপট আরও বিস্তৃত হয়। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খুদে শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ। হাতে ফুলের স্তবক আর হৃদয়ে বর্ণমালার টান নিয়ে সাধারণ মানুষের এই মিছিল দীর্ঘ হতে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন