সুন্দরবন থেকে অবৈধভাবে বন্য শুকর শিকার করে পাচারের সময় আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে সুন্দরবন সংলগ্ন লোকালয় থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় জবাই করা মৃত বন্য শুকর আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে সুন্দরবনের এলাকা থেকে একদল শিকারি বন্য শুকর শিকার করে নিয়ে আসছিল। এলাকাবাসী গোপন সংবাদ পায় যে এখান থেকে হরিণের গোস পাচার করা হবে। পাচারকারীরা রাত ১১টার দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন বৈদ্যমারী ও গোড়া বুড়বুড়িয়ার মাঝামাঝি এলাকার রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে। এলাকাবাসী তাদের গতিরোধ করার চেষ্টা করলে বস্তাবন্দি জবাই করা শুকরটিকে ফেলে পাচারকারীরা মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পূর্ব বন বিভাগের বৈদ্যমারী এবং কাটাখালি টহল ফাঁড়ির সদস্যরা শুকরটি উদ্ধার করে কেরাসিন তেল দিয়ে বৈদ্যমারি টহল ফাঁড়ির ক্যাম্পে মাটিচাপা দেন।
স্থানীয় কয়েকজনের তথ্যমতে, গতকাল রাতে একদল পাচারকারী সুন্দরবন থেকে একটি বন্য শুকর শিকার করে জবাই করা অবস্থায় পাচারের চেষ্টা করছিলো। তারা এই মাংস হরিণের মাংস বলে চালিয়ে দিয়ে বিক্রি করে থাকেন।
পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের বৈদ্যমারী টহল ফাঁড়ি এবং কাটাখালি টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইফতেখার রাজিব বলেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পেলে চাঁদপাই এসিএফ ও স্টেশন কর্মকর্তার নির্দেশক্রমে ঘটনা স্থল থেকে একটি গলাকাটা শুকর বস্তা বন্দি অবস্থায় আমরা উদ্ধার করি। পরে শুকুরটিকে ডিসপোজ করার জন্য যথাযত স্থানে গিয়ে ডিসপোজ করি। আপাতত কোন অপরাধীকে চিহ্নিত করতে পারিনি কিন্তু আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীকে পাওয়া মাত্র দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সুন্দরবন ও সুন্দরবনের বন্যপ্রানী রক্ষায় বন বিভাগের এই সকল অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সুন্দরবন থেকে অবৈধভাবে বন্য শুকর শিকার করে পাচারের সময় আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে সুন্দরবন সংলগ্ন লোকালয় থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় জবাই করা মৃত বন্য শুকর আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে সুন্দরবনের এলাকা থেকে একদল শিকারি বন্য শুকর শিকার করে নিয়ে আসছিল। এলাকাবাসী গোপন সংবাদ পায় যে এখান থেকে হরিণের গোস পাচার করা হবে। পাচারকারীরা রাত ১১টার দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন বৈদ্যমারী ও গোড়া বুড়বুড়িয়ার মাঝামাঝি এলাকার রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে। এলাকাবাসী তাদের গতিরোধ করার চেষ্টা করলে বস্তাবন্দি জবাই করা শুকরটিকে ফেলে পাচারকারীরা মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পূর্ব বন বিভাগের বৈদ্যমারী এবং কাটাখালি টহল ফাঁড়ির সদস্যরা শুকরটি উদ্ধার করে কেরাসিন তেল দিয়ে বৈদ্যমারি টহল ফাঁড়ির ক্যাম্পে মাটিচাপা দেন।
স্থানীয় কয়েকজনের তথ্যমতে, গতকাল রাতে একদল পাচারকারী সুন্দরবন থেকে একটি বন্য শুকর শিকার করে জবাই করা অবস্থায় পাচারের চেষ্টা করছিলো। তারা এই মাংস হরিণের মাংস বলে চালিয়ে দিয়ে বিক্রি করে থাকেন।
পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের বৈদ্যমারী টহল ফাঁড়ি এবং কাটাখালি টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইফতেখার রাজিব বলেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পেলে চাঁদপাই এসিএফ ও স্টেশন কর্মকর্তার নির্দেশক্রমে ঘটনা স্থল থেকে একটি গলাকাটা শুকর বস্তা বন্দি অবস্থায় আমরা উদ্ধার করি। পরে শুকুরটিকে ডিসপোজ করার জন্য যথাযত স্থানে গিয়ে ডিসপোজ করি। আপাতত কোন অপরাধীকে চিহ্নিত করতে পারিনি কিন্তু আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীকে পাওয়া মাত্র দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সুন্দরবন ও সুন্দরবনের বন্যপ্রানী রক্ষায় বন বিভাগের এই সকল অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন