বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঢাকা
আজকের দেশ বাংলা

যশোরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হার্ডলাইনে পৌরসভা




শহরের ব্যস্ততম সড়কগুলোতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং পবিত্র রমজানে সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে বড় ধরনের অভিযানে নেমেছে যশোর পৌরসভা। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের প্রাণকেন্দ্রগুলোতে পরিচালিত এই উচ্ছেদ অভিযানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা।বেলা ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানটি শহরের চৌরাস্তা মোড় থেকে যাত্রা শুরু করে। এরপর এমকে রোড হয়ে দড়াটানা পর্যন্ত রাস্তার দুই ধারের অবৈধ দোকানপাট ও সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়। পৌরসভার এই কঠোর অবস্থানে অনেক দখলদার নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নিতে বাধ্য হন।


অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জায়েদ হোসেন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, জনদুর্ভোগের বিনিময়ে কোনো ব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না। তার মতে: রমজানে কেনাকাটার ভিড়ে শহরকে স্থবিরতা থেকে রক্ষা করা। ফুটপাত যেন মানুষের হাঁটার জন্যই থাকে, ব্যবসার জন্য নয়। শহরের শৃঙ্খলা ও নান্দনিকতা বজায় রাখা।"ফুটপাত দখল করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। রমজান মাসজুড়ে শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।"— জায়েদ হোসেন, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা।

 

প্রথম দফার সফল অভিযান শেষে পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের পরবর্তী গন্তব্য মুজিবসড়ক এবং প্যারিস রোড এলাকা। দড়াটানা হয়ে এই জনবহুল এলাকাগুলোতেও দ্বিতীয় ধাপে উচ্ছেদ চালানো হবে।অভিযানে উপস্থিত থেকে তদারকি করেন ইন্সপেক্টর মনিরুজ্জামান নয়ন, আব্দুর রাজ্জাক মন্টু, দেলোয়ার হোসেনসহ পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ শহরবাসী পৌরসভার এই তড়িৎ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন, তবে এই শৃঙ্খলা যেন রমজানের পরেও বজায় থাকে—এমনটাই এখন সবার প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন

আজকের দেশ বাংলা

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


যশোরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হার্ডলাইনে পৌরসভা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


শহরের ব্যস্ততম সড়কগুলোতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং পবিত্র রমজানে সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে বড় ধরনের অভিযানে নেমেছে যশোর পৌরসভা। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের প্রাণকেন্দ্রগুলোতে পরিচালিত এই উচ্ছেদ অভিযানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা।বেলা ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানটি শহরের চৌরাস্তা মোড় থেকে যাত্রা শুরু করে। এরপর এমকে রোড হয়ে দড়াটানা পর্যন্ত রাস্তার দুই ধারের অবৈধ দোকানপাট ও সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়। পৌরসভার এই কঠোর অবস্থানে অনেক দখলদার নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নিতে বাধ্য হন।


অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জায়েদ হোসেন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, জনদুর্ভোগের বিনিময়ে কোনো ব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না। তার মতে: রমজানে কেনাকাটার ভিড়ে শহরকে স্থবিরতা থেকে রক্ষা করা। ফুটপাত যেন মানুষের হাঁটার জন্যই থাকে, ব্যবসার জন্য নয়। শহরের শৃঙ্খলা ও নান্দনিকতা বজায় রাখা।"ফুটপাত দখল করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। রমজান মাসজুড়ে শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।"— জায়েদ হোসেন, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা।

 

প্রথম দফার সফল অভিযান শেষে পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের পরবর্তী গন্তব্য মুজিবসড়ক এবং প্যারিস রোড এলাকা। দড়াটানা হয়ে এই জনবহুল এলাকাগুলোতেও দ্বিতীয় ধাপে উচ্ছেদ চালানো হবে।অভিযানে উপস্থিত থেকে তদারকি করেন ইন্সপেক্টর মনিরুজ্জামান নয়ন, আব্দুর রাজ্জাক মন্টু, দেলোয়ার হোসেনসহ পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ শহরবাসী পৌরসভার এই তড়িৎ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন, তবে এই শৃঙ্খলা যেন রমজানের পরেও বজায় থাকে—এমনটাই এখন সবার প্রত্যাশা।


আজকের দেশ বাংলা

সম্পাদক
মো: নাজমুল হাসান (নাজিম)
মোবাইল: ০১৮২৭৭৫৪৬৩৫

কপিরাইট © ২০২৬ আজকের দেশ বাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত