যশোর শহরের কোলাহল যখন থমকে গিয়েছিল গভীর রাতে, ঠিক তখনই বাহাদুরপুরের নিমতলা এলাকায় আগুনের লেলিহান শিখা জানান দিল এক অঘটনের। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা। পার্কিংয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসে হঠাৎ আগুন লাগলে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অগ্নিকাণ্ডের শিকার বাসটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৪২০৯৮। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে মুহূর্তেই বাসের ভেতরের সিট ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনের আঁচ থেকে রক্ষা পায়নি পাশে থাকা আরেকটি বাসও; সেটিরও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে বাসের ভেতরটি কঙ্কালে পরিণত হয়।
বাসটির মালিক আবু বক্কর সিদ্দিকি বেলাল একজন সক্রিয় বিএনপি কর্মী। তার দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসাই এই আগুনের মূল কারণ। তিনি বলেন:"নির্বাচনের সময় আমার বাসটি দলীয় কাজে ব্যবহার হয়েছে। সেই আক্রোশ থেকেই কেউ আমার উপার্জনের পথটি পুড়িয়ে দিল।"এদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা রুহুল হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগের তীর সরাসরি আওয়ামী লীগ ও জামায়াত সমর্থকদের দিকে। তাদের দাবি, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড।
ঘটনাটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত অপরাধ, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল খুঁটিয়ে দেখেছে। তিনি বলেন:তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। সিগারেটের আগুন বা কয়েল থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। নাশকতার বিষয়টিও মাথায় রেখে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বাহাদুরপুর এলাকায় বর্তমানে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের একটাই দাবি—সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা হোক।
বিষয় : নির্বাচন

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যশোর শহরের কোলাহল যখন থমকে গিয়েছিল গভীর রাতে, ঠিক তখনই বাহাদুরপুরের নিমতলা এলাকায় আগুনের লেলিহান শিখা জানান দিল এক অঘটনের। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা। পার্কিংয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসে হঠাৎ আগুন লাগলে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অগ্নিকাণ্ডের শিকার বাসটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৪২০৯৮। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে মুহূর্তেই বাসের ভেতরের সিট ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনের আঁচ থেকে রক্ষা পায়নি পাশে থাকা আরেকটি বাসও; সেটিরও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে বাসের ভেতরটি কঙ্কালে পরিণত হয়।
বাসটির মালিক আবু বক্কর সিদ্দিকি বেলাল একজন সক্রিয় বিএনপি কর্মী। তার দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসাই এই আগুনের মূল কারণ। তিনি বলেন:"নির্বাচনের সময় আমার বাসটি দলীয় কাজে ব্যবহার হয়েছে। সেই আক্রোশ থেকেই কেউ আমার উপার্জনের পথটি পুড়িয়ে দিল।"এদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা রুহুল হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগের তীর সরাসরি আওয়ামী লীগ ও জামায়াত সমর্থকদের দিকে। তাদের দাবি, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড।
ঘটনাটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত অপরাধ, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল খুঁটিয়ে দেখেছে। তিনি বলেন:তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। সিগারেটের আগুন বা কয়েল থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। নাশকতার বিষয়টিও মাথায় রেখে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বাহাদুরপুর এলাকায় বর্তমানে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের একটাই দাবি—সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা হোক।

আপনার মতামত লিখুন