উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জি,এম স্বপ্না, সিরাজগঞ্জ ,প্রতিনিধি: ||
ঈদ মানে আনন্দ,সেই আনন্দকে ঘিরে যদি ভয় আর অনিশ্চয়তা ভর করে,তাহলে তা পুরো সমাজের জন্যই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।সলঙ্গা থানার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে গরু চুরি আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় এখন স্থানীয় মানুষের প্রধান দুশ্চিন্তা হয়ে উঠেছে।হাটে হাটে গরু কেনাবেচা,বাড়িতে পশু লালন-পালন সব মিলিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ।কিন্তু এই আনন্দের মাঝেই সলঙ্গা থানার ৬ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় শোনা যাচ্ছে চুরির ঘটনা।গোয়ালঘর থেকে গরু চুরির আতঙ্কে রয়েছে খামারী ও কৃষকরা। স্থানীয়দের অভিযোগ,সম্পতি প্রায় প্রতিটি গ্রামেই রাতের আঁধারে গরু চুরির ঘটনা ঘটছে।অনেক ক্ষেত্রে কোরবানীকে ঘিরে সংঘবদ্ধ চোর চক্র পরিকল্পিতভাবে এসব অপরাধ চালাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।ফলে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।কোরবানীর ঈদ পর্যন্ত তার এলাকায় রাত জেগে পাহারার উদ্যোগ ইতিমধ্যেই গ্রহণ করেন সলঙ্গা থানা শাখা জামায়াতের আমীর রাশেদুল ইসলাম শহিদ।সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী,সেকেন্ড অফিসার মনোহরসহ আজ সরেজমিনে গিয়ে তাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তাদের হাতে টর্চ লাইট তুলে দেন।ওসি বলেন,ঈদের আগে গরুর চাহিদা ও দাম বেড়ে যাওয়ায় একটি অসাধু চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠেছে।এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশের টহল ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ।গ্রামভিত্তিক পাহারা দল গঠন এবং রাতের বেলায় পালাক্রমে পাহারা দিলে চুরি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।সন্দেহভাজন বা অপরিচিত ব্যক্তির গতিবিধি দেখলেই পুলিশকে জানানোর অনুরোধ জানান।পরিশেষে বলেন,ভয় নয়-সচেতনতা,সতর্কতা এবং সম্মিলিত উদ্যোগই পারে চুরিরোধ ও ঈদের আনন্দকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে।