উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
পলাশ পাল , নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি ||
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় অনাকাঙ্ক্ষিত অতিবৃষ্টির কারণে উৎপাদিত বোরো ধানের বিস্তীর্ণ জমি এখনো পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে।একদিকে পানির নিচে বোরো জমি অন্যদিকে ধান কাটতে মিলছে না প্রয়োজনীয় শ্রমিক।ফলে ধান পাকলেও তা কাটতে পারছেন না কৃষকরা। এমনকি কর্তনকৃত ধানের অর্ধাংশ ধান দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে ও মিলছে না শ্রমিক।ভুক্তভোগি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি উপজেলার বিভিন্ন হাওর ও নিচু জমিতে জমে রয়েছে। ফলে অনেক জমিতে পরিপুষ্ট ধান গাছ পানির নিচে ডুবে যাচ্ছে ক্রমাগত। এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে পাকা ধান জমিতেই পচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় প্রায় শত শত হেক্টর বোরো জমি ইতোমধ্যে পানির নিচে চলে গেছে। কৃষকরা জানান, জমিতে পানি জমে থাকায় ঝুঁকি নিয়ে শ্রমিকরা ধান কাটতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। বিগত বছরগুলোতে যেখানে ক্ষেত্র বিশেষে ১০-২০ শতাংশ ধানের ভাগের চুক্তিতে শ্রমিক পাওয়া যেত,এখন সেখানে ৫০ শতাংশ ভাগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে শ্রমিক মিলছে না। এতে করে যথাসময়ে ধান ঘরে তুলতে না পারলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।একাধিক কৃষক বলেন, “ধান পাকলেও জমিতে পানি থাকায় কাটা সম্ভব হচ্ছে না। শ্রমিকরা ও আসতে চায় না। এখন যদি দ্রুত পানি না নামে, তাহলে জমির পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।”কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কলমাকান্দা সহ জেলার অন্যান্য হাওর অঞ্চলে এবছর ব্যাপক পরিমাণ জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। কিন্তু অকাল বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে ইতোমধ্যেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয়রা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও কৃষকদের জন্য সরকারি সার্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।যা উক্ত অঞ্চলের জন্য অর্থনীতি কে নানাভাবে ধ্বংস করে দিবে।