উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোঃ মাসুদ রানা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ||
পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) খাগড়াছড়ি জেলার নির্বাচিত কমিটির নেতৃত্বে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান ও মহাসচিব।বুধবার পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) এর কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুজ্জামান মনির ও মহাসচিব মো.আলমগীর কবির স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের ইতিহাসে একমাত্র গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জেলার ৯টি উপজেলা ও ৩টি পৌর কমিটির সন্মানিত কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ লোকমান হোসাইন-সভাপতি, এস এম মাসুম রানা-সাধারণ সম্পাদক ও মো: মোকতাদের হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়।পরবর্তীতে ২৩-০৮-২০২৫ ইং জাঁকজমকপূর্ণ বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিন বছরের জন্য পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।ইদানিং আমরা লক্ষ করছি যে পলাতক স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসর পিসিএনপির থেকে বহিস্কৃত সাবেক সভাপতি কাজী মুজিবর রহমান তার কয়েকজন সাঙ্গোপাঙ্গ দোসর সহ নিজেদের পিঠ বাঁচাতে স্বঘোষিত বিভিন্ন পদ ব্যবহার করে আসছে। অনুরুপভাবে খাগড়াছড়ি জেলা পিসিএনপি কমিটির নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা ও সাবেক জেলাপরিষদ চেয়ারম্যানের অপকর্মের সাথী এবং একটা সুনামধন্য বাহিনীর নাম বিক্রি করে বিভিন্ন অপকর্ম ও পদপদবী দখলকারী আব্দুল মজিদকে বাঁচাতে ও ধান্দাবাজীর ভাগাভাটোয়ারা করার জন্য কাজী মজিবুর রহমান আব্দুল মজিদের পক্ষ নিয়ে কোন কারন ছাড়াই নির্বাচিত কমিটি বাতিল দেখিয়ে তার অনুচর সেই আব্দুল মজিদকে আহবায়ক করে কমিটি ঘোষণা করে, যা কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়। উল্লেখ্য আবদুল মজিদ নির্বাচিত কমিটির সভাপতি লোকমান হোসেনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে পরাজিত হয়েছিলেন। পিসিএনপি যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অবশ্যই স্থায়ী কমিটির মিটিংয়ের মাধ্যমে স্বিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন কিন্তু খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি বিলুপ্ত করার ব্যাপারে স্থায়ী কমিটি কোন সিদ্ধান্ত নেননি। আওয়ামী দোসর কাজী মুজিবর রহমান তার দোসরদের ভিত্তি মজবুত করার জন্য এককভাবে ফ্যাসিষ্ট কায়দায় এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছে। আমরা দ্বৈতহীনভাবে বলছি খাগড়াছড়ি জেলাতে লোকমান -মাসুম -মোক্তাদের কমিটিই বৈধ, এর বাহিরে গিয়ে কেউ অ-সাংগঠনিক কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ভাবে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।