উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মেহেদী হাসান রিপন , স্টাফ রিপোর্টার ||
ভোট শেষ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার মিশনে এক মুহূর্তও থামেননি যশোর-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) অভয়নগর উপজেলার গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে চষে বেড়ালেন তিনি। তবে এই যাত্রা ভোটের জন্য ছিল না, ছিল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দূরত্ব ঘুচিয়ে সম্প্রীতির সেতুবন্ধন তৈরির জন্য।সকাল থেকেই অভয়নগরের আকাশ-বাতাস যেন এক উৎসবমুখর আবহ ধারণ করেছিল। শ্রীধরপুরের ঘোষপাড়া বটতলা থেকে শুরু করে বাশুয়াড়ী দিঘীর পাড়—প্রতিটি স্পটে ছিল উপচে পড়া ভিড়। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে কাছে পেয়ে সাধারণ মানুষ যেমন ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেছেন, তেমনি তিনিও সবার মাঝে মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন।যেসব এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছিল প্রাণের স্পন্দন:ঘোষপাড়া বটতলা, দিয়াপাড়া নতুন বাজার, শংকরপাশা শাহীনপাড়া ও খেয়াঘাট। পাচুড়িয়া, নিমতলা, সিঙ্গাড়ী বাজার ও মরিচা। নেবুগাতী, ধলুর চার রাস্তার মোড় ও বাশুয়াড়ী দিঘীর পাড়।জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে অধ্যাপক গোলাম রসুল এক নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত দেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, সংসদ সদস্য হওয়ার পর তিনি আর কোনো বিশেষ দলের নন, বরং সব মানুষের। তিনি বলেন,"রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকতেই পারে, কিন্তু সমাজ গড়ার ক্ষেত্রে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমি চাই এমন এক অভয়নগর যেখানে ভয়ভীতির কোনো স্থান থাকবে না।পাশাপাশি তিনি তার ভোটার বা সমর্থকদের কোনো প্রকার হুমকি-ধমকি না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোরভাবে সতর্ক করেন।এ দিনের জনসংযোগে সংসদ সদস্যের সঙ্গী হয়েছিলেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি গোলাম মোস্তফা, সেক্রেটারি মহিউল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান এবং উপজেলা বায়তুল মাল সম্পাদক হাফেজ আব্দুল করীমসহ স্থানীয় বিভিন্ন ইউনিয়নের (শ্রীধরপুর, বাঘুটিয়া, শুভরাড়া ও সিদ্দিপাশা) আমীর ও দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।অধ্যাপক গোলাম রসুলের এই ‘ডোর-টু-ডোর’ ক্যাম্পেইন স্থানীয় রাজনীতিতে এক ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। নির্বাচনের উত্তাপ শেষে এমন সৌজন্য সাক্ষাৎ সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আগামীর সুন্দর দিনের স্বপ্ন বুনে দিচ্ছে।