
মেহেদী হাসান রিপন,স্টাফ রিপোর্টারঃ
‘জ্ঞানেই মুক্তি, আগামী ভিত্তি’—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে যশোরে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলো জাতীয় গণগ্রন্থাগার দিবস। জ্ঞানালোকিত সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে যশোর জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার হলরুমে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি পরিণত হয়েছিল লেখক, পাঠক ও শিক্ষার্থীদের এক মিলনমেলায়।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। ডিজিটাল যুগে এসেও গ্রন্থাগারের গুরুত্ব কমার বদলে বেড়েছে। তরুণ প্রজন্মের হাতে স্মার্টফোনের পরিবর্তে বই তুলে দেওয়ার মাধ্যমেই স্বপ্নের ‘আগামী ভিত্তি’ গড়ে তোলা সম্ভব।
জেলা গণগ্রন্থাগারের সিনিয়র লাইব্রেরিয়ান তাজমুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার সালাউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা শিক্ষা অফিসার মাহফুজুল হোসেন এবং বরেণ্য গবেষক ও লেখক বেনজিন খান।লাইব্রেরি উদ্যোক্তা কবি ও সাংবাদিক মামুন আজাদের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থাগারের শাহাবুদ্দিন এবং সমতা গণগ্রন্থাগারের সভাপতি শ্যামল দত্ত। অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেন রাশেদুল ইসলাম।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় মেধার স্বাক্ষর রেখে প্রথম স্থান ছিনিয়ে নিয়েছে একঝাঁক প্রতিভাবান শিক্ষার্থী। বিজয়ীদের তালিকায় রয়েছেন: রূপনীল রুদ্র (জেলা স্কুল)। কাজী মেহেজাবীন নীলিমা (সরকারি সিটি কলেজ)। সাবিকুন্নাহার (ক-গ্রুপ), জুনাইনা আকতার (খ-গ্রুপ) এবং সেজুতি বিশ্বাস (গ-গ্রুপ)।বক্তৃতা রাখেন : রুফফা নুর জাইয়ান (ক-গ্রুপ) ও দ্বিপান্বিতা রায় (খ-গ্রুপ)।অনুষ্ঠানের শেষভাগে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা। শুধুমাত্র পুরস্কার জয়ই নয়, বরং পাঠাগারের সাথে নিয়মিত যুক্ত থাকার শপথ নিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।